LPG Supply Crisis: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের (West Asia War) প্রভাবে ভারতে রান্নার গ্যাসের সঙ্কট তৈরি হয়েছিল। ইরান (Iran) থেকে ভারতে আসছে রান্নার গ্যাস। ফলে সঙ্কট কেটে গিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।  কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এখনও রান্নার গ্যাসের সঙ্কট রয়ে গিয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
কালোবাজারিতে শাসক নেতা
জলপাইগুড়ি শহরে তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছে।

LPG Crisis: সাধারণভাবে বুকিং করলে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ ২,০০০ টাকা দিলেই পাওয়া যাচ্ছে সিলিন্ডার। জলপাইগুড়িতে এমনই অভিযোগ করেছেন বহু মানুষ। তাঁদের দাবি, রান্নার গ্যাসের কালোবাজারি চলছে। ব্যাপক দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকরা। বুধবার জলপাইগুড়ি ডিস্ট্রিক্ট কনজিউমার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের রান্নার গ্যাস সরবরাহ অফিসে গিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন বহু গ্রাহক। তাঁরা অভিযোগ করেন, বেশ কয়েকদিন আগে রান্নার গ্যাস বুক করার পরেও পরিষেবা পাচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই বেশি টাকা দিয়ে খোলা বাজার থেকে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু সবার পক্ষে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে গ্রাহকদের দাবি, রান্নার গ্যাস সরবরাহ সংস্থাকেই স্বাভাবিকভাবে পরিষেবা দিতে হবে।

রান্নার গ্যাসের কালোবাজারিতে শাসক দলের কাউন্সিলর!

জলপাইগুড়ি শহরের অন্যতম গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থা জলপাইগুড়ি ডিস্ট্রিক্ট কনজিউমার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের এক কর্মী তথা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে শহরের বিভিন্ন আড্ডায় কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে অবৈধভাবে রান্নার গ্যাস সরবরাহের অভিযোগ।। সরবরাহকারী সংস্থা দাবি করছে, চাহিদার তুলনায় জোগান কম। তার ফলেই সঙ্কট তৈরি হয়েছে। তবে সাধারণ গ্রাহকরা এই দাবি মানতে নারাজ। তাঁরা বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি পথ অবরোধও করেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, 'সাপ্লাই নেই বলা হচ্ছে। অথচ খোলা বাজারে ১,৮০০ টাকা থেকে ২,০০০ টাকা দিলেই দিব্যি পাওয়া যাচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার।'

অন্য জায়গাতেও কালোবাজারির অভিযোগ

কিছুদিন আগে হাওড়া জেলার এক রেস্তোরাঁর মালিক অভিযোগ করেন, 'রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের কোনও অভাব নেই। কালোবাজারি চলছে। ডিলার বা ডিস্ট্রিবিউটররা তাদের কাছের লোকজনকে দিয়ে বেআইনিভাবে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করে রাখছে। তার ফলে বাড়িতে সাধারণ রান্নার গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনই আমাদের মতো রান্নার গ্যাসের বাণিজ্যিক সিলিন্ডারও পাওয়া যাচ্ছে না। করোনার (COVID-19) সময় যেমন চালের মজুতদাররা বিপুল লাভ করেছিল, এখন ঠিক সেভাবেই রান্নার গ্যাসের ডিলাররা লাভ করছে। পুলিশ-প্রশাসন যতদিন না ব্যবস্থা নেবে, ততদিন এই সমস্যা মিটবে না।' এবার জলপাইগুড়িতে একই অভিযোগ উঠল।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।