Nandigram Assembly By-Elections 2026: পুজোর ঠিক আগে রাজ্যের দুটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন। ভোটের ঠিক আগে ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বিদানসভা উপনির্বাচন। তা

Nandigram Assembly By-Elections 2026: পুজোর ঠিক আগে রাজ্যের দুটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন। ভোটের ঠিক আগে ৬ অক্টোবর পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বিদানসভা উপনির্বাচন। তার মধ্যে সবার নজরে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর গড় হিসেবে পরিচিত নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসন। ভবানীপুর ধরে রেখে নন্দীগ্রাম আসন থেকে ইস্তফা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাই এই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক নন্দীগ্রাম আসনের দিকে।

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থীরা

হাসিরানি রথ (বিজেপি)

সঞ্চিতা প্রধান দে (তৃণমূল/মমতা)

শান্তিগোপাল গিরি (সিপিআই))

মহম্মদ এতেশামুল হক (তৃণমূল, ঋতব্রত)

আলী মহম্মদ সবে মিরাজ খান (আইএসএফ)

মিলন প্রধান (কংগ্রেস)

ভোটগ্রহণ কবে

৬ অক্টোবর।

কমাস আগে নির্বাচনে ফল কী হয়েছিল

২০২৬ নন্দীগ্রাম বিধানসভার ফল

শুভেন্দু অধিকারী (বিজেপি)- ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৩০১টি ভোট (৫০.৩৭%)

পবিত্র কর (তৃণমূল)- ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৬৩৬টি ভোট (৪৬.৫৫%)

শান্তিগোপাল গিরি (সিপিআই)- ২ হাজার ৯৭৭টি ভোট (১.১৯%)

মহম্মদ সাবে মিরাজ (আইএসএফ)-২,৯৭৭টি ভোট (০.৭৫%)

ফল- শুভেন্দু অধিকারী জয়ী ৯ হাজার ৬৬৫টি ভোটের ব্যবধানে

এবার ফল কী হতে পারে

বিজেপি প্রার্থী হাসিরানির রথের জয় নিশ্চিত। তবে প্রধান বিরোধী দল কে হয় সেটাই দেখার।

এবার উপনির্বাচনে সবার নজর কোন দিকে

বিজেপি প্রার্থী হাসারানি রথের জয় নিয়ে কোনও সংশয় নেই। এখন দেখার শুভেন্দু অধিকারীর খুন হওয়া আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথে মা-য়ের জয়ের মার্জিন কত থাকে। তবে এবারের নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে সবার নজরে থাকবে কারা দ্বিতীয় স্থানে থাকেন। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের দল কি দ্বিতীয় স্থান ধরে রাখতে পারবে নাকি বামেরা কিংবা ঋতব্রত শিবিরের তৃণমূল সেই জায়গা দখল করে।

নন্দীগ্রাম আসনের ইতিহাস

২০১১ সাল থেকে নন্দীগ্রাম হল অধিকারী গড়। ২০১১ বিধানসভা ভোটে এখান থেকে জেতেন তৃণমূলের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মুখ ফিরোজা বিবি। এরপর ২০১৬ বিধানসভায় নন্দীগ্রামে প্রায় ৬৭ শতাংশ ভোট পেয়ে মমতার মন্ত্রিসভার সদস্য হন শুভেন্দু। এরপর ২০২১ সালে বিজেপি প্রার্থী হয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হন শুভেন্দু। পাঁচ বছর পর নন্দীগ্রাম থেকে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে শুভেন্দু হারান তৃণমূলের পবিত্র কর-কে।

কেন আসনটি ফাঁকা হয়

বিজেপি প্রার্থী হিসেবে ২০২৬ বিধানসভায় দুটি আসন থেকে লড়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর। দুটি আসনেই জিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর শুভেন্দু নন্দীগ্রাম আসন থেকে ইস্তফা দিয়ে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো ভবানীপুরের বিধায়ক হন। মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি খালি হয়। ২০১৬ থেকে শুভেন্দু অধিকারী এই আসনে বিধায়ক ছিলেন। ১৫ বছর ধরে নন্দীগ্রাম বিধানসভা অধিকারী গড় রয়েছে।