TMC News: একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে কালীঘাট তৃণমূলকে তোপ প্রসূনের, রাজ্য এবং জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে টিকিট বিক্রির অভিযোগে সরব, একুশে জুলাইয়ের পর প্রমাণস্বরূপ দস্তাবেজ দলের চেয়ারম্যান এবং সভাপতিকে তুলে দেওয়ার হুশিয়ারি
একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে কালীঘাট তৃণমূলকে তোপ প্রসূনের, রাজ্য এবং জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে টিকিট বিক্রির অভিযোগে সরব, একুশে জুলাইয়ের পর প্রমাণস্বরূপ দস্তাবেজ দলের চেয়ারম্যান এবং সভাপতিকে তুলে দেওয়ার হুশিয়ারি
ঋতব্রত তৃণমূলের শহিদ দিবসের প্রস্তুতি সভা
একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশকে সামনে রেখে মালদার চাঁচলে প্রস্তুতি সভা করল ঋতব্রত তৃণমূল। সেই সভা থেকেই কালীঘাট তৃণমূলের নেতৃত্ব তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন ঋতব্রত তৃণমূলের জেলার সভাপতি তথা চাঁচলের বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বিক্রি থেকে পদ বণ্টন সব ক্ষেত্রেই টাকার লেনদেনের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। বাবা ছেলের সাম্রাজ্যে টাকা ছাড়া কিছুই হয় না নাম না করে খোঁচা তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়কের।
মামলায় উপস্থিত ২ বিধায়ক
এই দিন মালদার চাঁচলের থানাপাড়ায় একটি বেসরকারি আবাসনে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে ঋতব্রত তৃণমূল। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৩০০ থেকে প্রায় ৪০০ জন কর্মী-সমর্থক। নেতৃত্ব দেন ঋতব্রত তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা চাঁচলের বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন রতুয়ার বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়।
টাকা তোলার অভিযোগ অভিষেকের বিরুদ্ধে
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাট তৃণমূল এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় 'নবজোয়ার' কর্মসূচির আড়ালে ক্যামাক স্ট্রিট ও আইপ্যাকের যোগসাজশে গোটা রাজ্যে টিকিট বিক্রি হয়েছে। মালদা জেলায় শুধু চুরি নয়, "ডাকাতি" হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ব্যবসায় পরিণত করা হয়েছিল। টিকিট দেওয়ার আগে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে, এমনকি প্রধান পদ পাইয়ে দিতেও অর্থ লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। "যার কাছে টাকা আছে, যে টাকা পৌঁছে দিতে পারবে, তারই গুরুত্ব ছিল। টাকা-পয়সার রাজনীতির জন্যই তৃণমূল কংগ্রেস ২১১ থেকে ৮০-তে নেমে এসেছে। পাশাপাশি বাবা ছেলের সাম্রাজ্যের যে টাকার ব্যাগ পৌঁছে দিবে সেই নেতা দাবি প্রসূনের। সমস্ত কিছুর তদন্ত হবে। একুশে জুলাইয়ের টিকিট বিক্রিতে আর্থিক লেনদেন প্রমাণস্বরূপ দলের চেয়ারম্যান ও সভাপতির হাতে আমরা তুলে দেবো। তারপর তারা যা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
পাশে থাকার বার্তা
সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশে সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।" পাশাপাশি চাঁচল বিধানসভার মানুষের পাশে আমি ছিলাম ,আছি থাকবো।
পাল্টা তোপ বিজেপির
যদিও প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য কে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা দীপঙ্কর রাম বলেন, তৃণমূলের চুরি দুর্নীতি হয়েছে আমরা প্রথম থেকেই বলেছি। আজ তৃণমূলের প্রতীকে জেতা বিধায়ক বলছেন। তৃণমূল ক্ষমতাই নেই তাই বলছেন, আসলে সবটাই গা বাঁচানোর জন্য।


