Suvendu Adhikari: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (2026 West Bengal Legislative Assembly election) নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের মন জয় করতে চাইছেন। বিশেষ করে মহিলাদের মন জয় করাই বিজেপি (BJP) ও শুভেন্দুর লক্ষ্য।

DID YOU
KNOW
?
ভবানীপুরে লড়াই
এবার ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী লড়াই।

Lakshmir Bhandar Scheme: 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' ও 'বাংলার যুব সাথী' প্রকল্পের পাল্টা 'অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার' ও ''যুবশক্তি প্রকল্পের কথা আগেই ঘোষণা করেছিল বিজেপি (BJP)। এবার মহিলাদের মন জয় করার লক্ষ্যে বিশেষ ঘোষণা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার নিজের জেলা পূর্ব মেদিনীপুর থেকে তিনি ঘোষণা করেন, 'ক্ষমতায় এলে ১ জুন থেকে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি তিন হাজার করে টাকা পাঠানো হবে।' বিরোধী দলনেতা আরও প্রতিশ্রুতি দেন, 'দীর্ঘদিন ধরে আইসিডিএস কর্মীরা সঠিক বেতন পাচ্ছেন না। আশাকর্মীরাও বঞ্চিত। বিজেপি ক্ষমতায় এলে তাদের উপযুক্ত বেতন দেওয়া হবে।' এছাড়া বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের ভাতাও বাড়ানো হবে বলে আশ্বাস দেন বিরোধী দলনেতা।

অভিষেককে আক্রমণ শুভেন্দুর

এদিন বিরুলিয়ায় যখন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) নন্দীগ্রামের দলীয় প্রার্থী পবিত্র করের সমর্থনে কর্মীসভা করছেন তখন নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়া শিবমন্দির প্রাঙ্গণে রাজনৈতিক কর্মিসভায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতৃত্ব-সহ কয়েকজন বিজেপি-তে যোগদান করেন। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন শুভেন্দু। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সহ-সভাপতি রাহুল জানা, এছাড়াও আমদাবাদ, বয়াল এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন যুবকের পাশাপাশি চণ্ডীপুরের চিকিৎসক পীযুষ দাস বিজেপি-তে যোগদান করেন। নাম না করে অভিষেককে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, 'আমাদের এখানে কর্মিসভা আজ। যদিও আমরা ফাইভ স্টার হোটেল বানাতে পারিনি। যাঁরা মা-মাটি-মানুষ বলতেন, তাঁরা ফাইভ স্টার হোটেল বানান আর আকাশে ঘুরে বেড়ান। মাটিতে পা পড়ে না।'

মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) আক্রমণ করে বিরোধী দলনেতা বলেন, 'আমি গাঁয়ের পান্তা খাওয়া ছেলে। আমাকে হারাতে এসেছিলেন। আমি আপনাকে হারিয়ে পাঠিয়েছি। পা ভাঙেনি, আপনি পায়ে ব্যান্ডের চড়িয়ে পা ভাঙার নাটক করে গোটা বাংলার মানুষকে টুপি পরিয়েছেন। নন্দীগ্রামের মানুষ টুপি পরেনিনি।এবার আমি ভবানীপুরে যাচ্ছি। মোদি জি পাঠিয়েছেন। এবার আপনারা নন্দীগ্রামের দায়িত্ব নিন, ভবানীপুরটা আমি দেখে নেব। আত্মীয়ের চুক্তি হলো ভালোবাসার চুক্তি। আপনারা বুঝেছেন একুশে, আজ বাংলা বুঝতে পারছে। নন্দীগ্রামের ৩০০০ মুসলিম ছেলে মহারাষ্ট্রে কাজ করে। আপনাদের ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমার। হাতে কাজ, পেটে ভাত, মাথায় ছাদ, এটাই আমাদের অঙ্গীকার। নন্দীগ্রামটা আপনারা দেখে নেবেন, মাঝেমাঝে দেখা হবে। ভবানীপুরে কেমন চড়কি কাটাতে হয় ! আমার নাম শুভেন্দু অধিকারী। মেদিনীপুরের ছেলে মাথা নিচু করে না। ডরনে ওয়ালা নহি হ্যায়।'

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।