বাড়ির সামনেই দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু হল তৃণমূল কাউন্সিলারের৷ মৃতের নাম মহম্মদ খালিদ খান(৪০)৷ ঘটনাটি ঘটেছে কুলটির মানবেড়িয়া এলাকায়।

রাজ্য়ে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বলির ঘটনা আকছার ঘটছে। এবার অবশ্য় তৃণমূল নেতার মৃত্য়ুর পর বিজেপির ওপর আঙুল তুলছে না খোদ পরিবারের সদস্য়রাই। উল্টে তাঁরাই বলছে,হামলাকারীরাও তৃণমূল করে। ফলে পুরোনো শত্র্ুতা না তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শনিবার ঘটনাটি ঘটে রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ৷ বাডি়র সামনেই আসানসোল পুরনিগমের ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহম্মদ খালিদ খানকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। সূত্রের খবর, বাড়ির সামনেই খাওয়াদাওয়া করে পায়চারি করছিলেন খালিদ।মোটরবাইকে এসে তিন দুষ্কৃতী গুলি করে খালিদকে। তাঁর পায়ে ও বুকে গুলি লাগে। পরে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলেঘোষণা করেন ৷

আরও পড়ুন : কারাগারে জন্মেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ, হুগলির পুলিশ ফাঁড়ির লক আপে গোপাল পুজো

আরও পড়ুন:বন্ধুর মোবাইলে লোভ, সহপাঠীর গলায় ছুরি চালালো দশম শ্রেণির ছাত্র

খবর পেয়েই হাসপাতালে আসেন আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি, সহ তৃণমূল নেতৃত্ব। কাউন্সিলরের পরিবারের দাবি, তিন বছর আগেও খালিদের ওপর হামলা হয়েছিল। সেবার কোনওক্রমে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। সেবারও তাঁদের তিন আত্মীয় টিঙ্কু, কাদের ও শাহিদ হামলা চালিয়েছিল। এমনকী, খালিদের বাবাকেও ছাড়েনি হামলাকারীরা। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। এবারও অভিযোগ উঠেছে, ওই তিনজনই হামলা চালিয়েছে খালিদের ওপর। কাউন্সিলরের পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও পুরোনো শত্রুতা দুটি তত্ত্বই উঠে এসেছে বলে খবর৷ এলাকাবাসীরাও জানিয়েছে,অভিযুক্তরাও তৃণমূল করে৷ এদিন সকাল থেকেই খালিদের খুন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এলাকা। সকাল থেকেই দফায় দফায় শুরু হয়েছে রাস্তা অবরোধ। কোথাও কোথাও রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করছে উত্তেজিত জনতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় গিয়েছ পুলিশ বাহিনী।

আরও পড়ুন :প্রেমিকের বাইকে অন্য যুবতী, বিয়ে করে তবে ছাড়লেন প্রেমিকা

আরও পড়ুন:ভাগিরথীর বুকে বিশ্বের দীর্ঘতম সাঁতার প্রতিযোগিতা! ৭৬তম বছরে অংশ নিলেন বিদেশীরাও