2026 West Bengal Legislative Assembly election: বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে তৃণমূল কংগ্রেসে (AITC) যোগ দিয়েছেন বিখ্যাত অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন (Swapna Barman)। কিন্তু তাঁর সময় ভালো যাচ্ছে না। সদ্য বাবাকে হারিয়েছেন এই ক্রীড়াবিদ। শাসক দলের প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হলেও, সরিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

DID YOU
KNOW
?
স্বপ্নার ভবিষ্যৎ কী?
স্বপ্না বর্মন যদি জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী না হতে পারেন, তাহলে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।

Swapna Barman: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অন্তিম পর্বে এসে হঠাৎই কি পাল্টে যেতে চলেছে রাজগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) প্রার্থী? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মনের নাম ঘোষণা করলেও, কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, পাল্টে যেতে চলেছে প্রার্থীর নাম। বলা হচ্ছে আন্তর্জাতিক স্তরে পদকজয়ী স্বপ্নার সরকারি নথিপত্র ঠিক নেই। সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার মধ্যে যদি স্বপ্নার হাতে প্রয়োজনীয় নথি না আসে, তবে বদলে যেতে পারে প্রার্থীর নাম। আর তারই সঙ্গে উঠে আসছে বিদায়ী বিধায়ক খাগেশ্বর রায়ের নাম। খগেশ্বর নিজেই ফের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ফোন করে আমাকে কাগজপত্র তৈরি করতে বলেছেন। আমাকে প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। সোমবার মনোনয়পত্র জমা দেওয়ার সময়ই সকলে জানতে পারবে কী হচ্ছে।’

অভিমান ভুলে ফের দলে খগেশ্বর

স্বপ্না টিকিট পাবার পর রাগে-দুঃখে বিদায়ী বিধায়ক খগেশ্বর দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে দলনেত্রী মমতার ফোনে মানভঞ্জন হলেও, ভোট নিয়ে খুব বেশি উৎসাহী ছিলেন না খগেশ্বর। তবে স্বপ্নাকে সরিয়ে তাঁকে ফের প্রার্থী করার খবর জানার পরই খগেশ্বরের মুখে হাসি এবং আশার আলো জ্বলছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, 'আমি চারবার জিতেছি। এবারও বিপুল ভোটে জিতব। আমি ভীষণই আনন্দিত এবং আশাবাদী।'

রাজগঞ্জে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী বিজেপি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি-র (BJP) প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দাবি করেছেন, আসন্ন নির্বাচনে তাঁরা ‘ক্লিন সুইপ’ করবেন। বিরোধী শিবিরকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, 'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরও পাঁচবার আসতে বলুন। তাতেও কিছু করতে পারবে না।' স্বপ্নার প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত এবং এ নিয়ে রাজনৈতিকভাবে কিছু বলার নেই। নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব নিয়ম-কানুন রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই মনোনয়ন জমা দিতে হবে।’ একইসঙ্গে চাকরি ছেড়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়েও বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন সুকান্ত। তিনি বলেন, 'চাকরি হুট করে ছেড়ে দেওয়া যায় না। এর নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। আমাদের জয়ন্তদা যখন প্রথমবার প্রার্থী হয়েছিলেন, তখন এনওসি পেতে তাঁকে প্রচুর কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল। এখনও তিনি পেনশন সংক্রান্ত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। কারণ সে সময় সঠিকভাবে রিলিজ করা হয়নি।' সোমবার সকালেই স্পষ্ট হয়ে যাবে ঠিক কী হচ্ছে। তার আগে উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে স্বপ্নাকে নিয়ে আলোচনা চলছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।