ভোটদানের হার দ্বিতীয় দফাতেও অব্যাহত। সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার ৩৯.৯৭ শতাংশ। কলকাতা উত্তরে ভোট পড়েছে ৩৮.৩৯ শতাংশ। কলকাতা দক্ষিণে ভোট পড়েছে ৩৬.৭৮ শতাংশ। নদিয়ায় ভোট পড়েছে ৪০.৩৪ শতাংশ। উত্তর ২৪ পরগনায় ভোট পড়েছে ৩৮.৪৩ শতাংশ। পূর্ব বর্ধমানে ভোট পড়েছে ৪৪.৫০ শতাংশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভোট পড়েছে ৩৭.৯২ শতাংশ।

ভোটদানের হার দ্বিতীয় দফাতেও অব্যাহত। সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার ৩৯.৯৭ শতাংশ। কলকাতা উত্তরে ভোট পড়েছে ৩৮.৩৯ শতাংশ। কলকাতা দক্ষিণে ভোট পড়েছে ৩৬.৭৮ শতাংশ। নদিয়ায় ভোট পড়েছে ৪০.৩৪ শতাংশ। উত্তর ২৪ পরগনায় ভোট পড়েছে ৩৮.৪৩ শতাংশ। পূর্ব বর্ধমানে ভোট পড়েছে ৪৪.৫০ শতাংশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভোট পড়েছে ৩৭.৯২ শতাংশ। হুগলিতে ভোট পড়েছে ৪৩.১২ শতাংশ। হাওড়ায় ভোট পড়েছে ৩৯.৪৫ শতাংশ।

২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় এই হার অনেকটাই বেশি। লোকসভা ভোট হয়েছিল সাত দফায়। ওই সাত দফার মধ্যে সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়, ৩৬.৯ শতাংশ। সর্বনিম্ন ভোটদানের হার ছিল সপ্তম দফায়। ওই দফায় সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার ছিল রাজ্যে ২৮.১ শতাংশ।

দ্বিতীয় দফার এই ১৪২টি আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৯৯। তার মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৩০৬ এবং মহিলা ভোটার রয়েছেন ১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৪০ হাজার ২১৬২ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭৯২ জন। দ্বিতীয় দফার ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে তফসিলি জাতি (এসসি)-র জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ৩৪টি আসন এবং তফসিলি জনজাতি (এসটি)-র জন্য সংরক্ষিত রয়েছে একটি আসন। আয়তনে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র জোড়াসাঁকো, সবচেয়ে বড় কল্যাণী। তবে ভোটারের সংখ্যার ভিত্তিতে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হুগলি জেলার চুঁচুড়া। সেখানে ২.৭৫ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। ভোটারের সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া। এই কেন্দ্রে ১.১৭ লক্ষ ভোটার রয়েছেন।