Malda News: একে অতিরিক্ত ঠান্ডা তার উপর কাজের চাপ সহ্য না করতে ফের মৃত্যু বিএলও-র। কাঠগড়ায় কমিশন। কোথায় ঘটেছে এই ঘটনা? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Malda News: শেষের মুখে ভোটার তালিকা নিবিড় সমীক্ষা বা এসআইআর সংক্রান্ত কাজ। তার মধ্যেই আবারও BLO-র মৃত্যুর ঘটনা সামনে এলো। অসুস্থ হয়ে পড়ে মৃত্যু হয়েছে তার। মালদহের ইংরেজবাজার পুরসভার ফুলবাড়ী পাকুরতলা এলাকার ঘটনা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মৃতার নাম সম্পৃতা চৌধুরী সান্যাল। বাড়ি পাকুরতলা এলাকায়। পেশায় আইসিডিএস কর্মী। ইংরেজবাজার পুর এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ১৬৩ নম্বর বুথে বিএলও-র দায়িত্বে ছিলেন। এদিকে বিএলও স্ত্রীর মৃত্যুতে তার স্বামীর অভিযোগ, প্রচণ্ড কাজের চাপ ছিল। তার মধ্যে তীব্র শীত। গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তার স্ত্রী। ডাক্তার দেখিয়েছিলেন। ডাক্তার বিশ্রাম নিতে বলেছিলেন। কিন্তু এস আই আর এর কাজের চাপ প্রচন্ড ছিল। এতে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুধবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

কী কারণে বিএলও-র মৃত্যু?

ঘটনার খবর পেয়ে মৃতা বিএলও-র বাড়িতে ছুটে যান ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর গায়েত্রী ঘোষ। কাউন্সিলর এর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত চাপের ফলেই বিএলও-রা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। যার পরিণতি মৃত্যু হল।

পাল্টা বিজেপি দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অযোগ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘’যেকোনও মৃত্যু দুঃখজনক। তবে সব দায় নির্বাচন কমিশনকে চাপিয়ে দিলে হবে না। তৃণমূলের যারা জনপ্রতিনিধি বা নেতৃত্ব আছে তারাও বিএলও-দের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে এইসব সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।'' 

অন্যদিকে, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সাম্প্রতিক কলকাতা সফর, আর তার পরেই দিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, সব মিলিয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত, রাজ্যে বিধানসভা ভোট ঘিরে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। 

বাংলার ভোট নিয়ে দিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করল কমিশন। সোমবার দিল্লিতে বৈঠকে করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিনিধি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর শীর্ষ কর্তা এবং রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকরা ছিলেন।

মূল আলোচনার বিষয় ছিল, ভোট চলাকালীন কত পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী বাংলায় কত দফায় ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) করানো সম্ভব। সূত্রের খবর, কেরল, তামিলনাডু, মধ্যপ্রদেশ বা গুজরাতের মতো রাজ্যে যদি কম দফায় ভোট করানো যায়, তাহলে বাংলায় কেন নয়? এই ভাবনা থেকেই এবার পাঁচ, ছয় বা সাত দফার বদলে এক থেকে তিন দফায় ভোট করানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে কমিশন। তবে সবটাই নির্ভর করছে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যাবে কি না তার উপর। খুব বেশি হলে চার দফায় ভোট হতে পারে বলে ইঙ্গিত।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।