বিগত দিনে এই বিষয়টি নিয়ে পুরসভা ব্যবস্থা গ্রহণ করায় দিন কয়েকের জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে । কিছুদিন যেতে না যেতেই ফের স্কুল চত্বরে বসছে মদের আসর। এদিন স্কুলের ক্লাস রুমের পাশে পড়ে থাকতে দেখা গেল মদের বোতল,গ্লাস সহ নেশার সামগ্রী।

স্কুল চত্বরে রাতের অন্ধকারে প্রতিনিয়ত বসত মদের আসর। দেখা যায়, স্কুল চত্বরের বিভিন্ন জায়গাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে মদের বোতল। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশকে নিয়ে স্কুল পরিদর্শন করলেন ভাইস চেয়ারম্যান। এই ঘটনা সামনে আসতেই এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে একগুচ্ছ প্রশ্ন তুললেন স্থানীয়রা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এগুলো দৃশ্যদূষণ বললেন শিক্ষকরা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি পুর এলাকার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নেতাজীপাড়া বিষ্ণুপদ নিউ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটেছে এই ঘটনা। সন্ধ্যা নামতেই বসছে মদের আসর, এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের। বিগত দিনেও এই বিষয়টি নিয়ে বহুবার এমন অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয়রা জানান, সেই সময়ে পুরসভা ব্যবস্থা গ্রহণ করায় দিন কয়েকের জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে । কিছুদিন যেতে না যেতেই ফের স্কুল চত্বরে বসছে মদের আসর। এদিন স্কুলের ক্লাস রুমের পাশে পড়ে থাকতে দেখা গেল মদের বোতল,গ্লাস সহ নেশার সামগ্রী। বিষয়টি দেখে স্থানীয়রা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা পুর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিংকে জানায়। অভিযোগ পাওয়ার পরই রবিবার ভাইস চেয়ারম্যান ধূপগুড়ি থানার পুলিশকে নিয়ে স্কুল চত্বর ঘুরে দেখেন। তিনি লক্ষ্য করেন বিভিন্ন জায়গাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে নানা ধরনের মদের বোতল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর এখানে মদের আসর চললেও বলার কেউ নেই। আর এইসব কাজের ফলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। উপায় না দেখে ভাইস চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আমরা চাই এখানে প্রতিনিয়ত পুলিশ টহল দিক। যারা এখানে বসে মদ্যপান করছে তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করুক।

এবিষয়ে ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশ কুমার সিং বলেন,এটা দুঃখজনক ঘটনা,আমাদের এই বিষয় আগে দেখা উচিত ছিল। এটা আমাদের ব্যর্থতা। তবে এই ঘটনা কখনও বরদাস্ত করা হবে না। পুলিশকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এলাকার পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আগে প্রশাসনের তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।