ফের সক্রিয় হচ্ছে আইএসআই, নাশকতার প্রস্তুতি নেপাল-বাংলাদেশেও

Published : Oct 20, 2019, 04:21 PM IST
ফের  সক্রিয় হচ্ছে আইএসআই, নাশকতার প্রস্তুতি নেপাল-বাংলাদেশেও

সংক্ষিপ্ত

কাশ্মীর ইস্যুতে ফের ভারত বিরোধিতায় পাকিস্তান নেপাল ও বাংলাদেশে সক্রিয় হচ্ছে আইএসআই  নেপালে কাশ্মীর ইস্যুতে গোপন বৈঠক পাকিস্তানের বাংলাদেশে আইএসআই বাড়াচ্ছে ভারতীয় জাল নোটের চক্র 

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত বিরোধিতায় কোনও সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছে না পাকিস্তান। বিশ্বের দরবারে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত পাকিস্তান এখন দুই প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও বাংলাদেশের জনগণকে ভারত বিরোধী করতে চাইছে বলে ভারতীয় গোয়ন্দা দপ্তর তাদের একটি রিপোর্টে জানিয়েছে। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই  ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ও নেপালে সক্রিয় হতে শুরু করেছে। যার ফলে ভারতে হামলার সম্ভাবনা ক্রমেই বাড়ছে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা তাদের একটা রিপোর্টে জানিয়েছে,  নেপালের পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মাজহার জাভেদের গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখে নেপালের পাক দূতাবাসে জাভাদের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। এই বৈঠকে ৩০ জন আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন। অতিথিদের বেশ কয়েকজন মানবাধিকার কর্মী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।  রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ওই বৈঠকে আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু ছিল, উপত্যকায় ক্রমাগত মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে।  রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ৩ অক্টোবর পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত জাভেদ স্থানীয় একটি পত্রিকায় প্রতিবেদন লেখেন। কাশ্মীর ইস্যু সেই প্রতিবেদনের প্রধান বিষয়বস্তু ছিল। 

ভারতীয় গোয়েন্দা দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, নেপালে পাক দূতাবাসের সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর। কোলোনেল সাফখত নাওয়াজ মূলত এই যোগাযোগ স্থাপন করছে। পাশাপাশি নেপালে আইএসআই-এর আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ উসকে দিতে  আইএসআইয়ের হয়ে অর্থ সাহায্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সফকত।  এমনকী ভারতের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালানোর জন্য তহবিল গঠন করা হচ্ছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। ২০১৮ সালে  নেপালের ত্রিভূবন বিমানবন্দর থেকে ৭.৭৬ মূল্যের ভারতীয় জাল নোট উদ্ধারের পর থেকে ভারতীয়দের নজরে আসে সফকত। নেপালের পাক দূতাবাসে প্রায়শই আসতেন ইউসুফ আনসারি। ডি কোম্পানির অপারেটর ছিল বলে ইউসুফ আনসারির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে নেপাল পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। 

পাশপাশি  সেপ্টেম্বরে  ২৫ লক্ষের ভারতীয় জাল নোট  বাংলাদেশ পুলিশ উদ্ধার করেছিল। এই জাল নোটের নেপথ্যে দুবাই ভিত্তিক আইএসআইয়ের এজেন্ট রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।  ২০১৫ সালে ঢাকা পুলিশের একটি রিপোর্টের ভিত্তিতে  বাংলাদেশে পাকিস্তানের হাই কমিশনারের এক কর্তা মাজহার খান বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে আসা হয়েছিল। অভিযোগে জানানো হয়, মাজহার ভারতের জাল নোটের সিন্ডকেটকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। এরপরেই তাকে বাংলাদেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়। ঢাকা পুলিশের এই রিপোর্টের পরই ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তে আরও কঠোর পাহারা বসানো হয়। 

PREV
click me!

Recommended Stories

ISRO PSLV C62: ভেসে বেড়াবে, পুড়ে যাবে, নাকি ভেঙে পড়বে, হারিয়ে যাওয়া ১৬ উপগ্রহের পরিণতি কী?
অজিত ডোভালের 'বিজয় মন্ত্র' ৩৩ মিনিটের এই ভাষণ বদলে দেবে আপনার ভাবনা!