স্যাটেলাইট ইমেজই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র রাহুলের , লাদাখ নিয়ে কেন্দ্রকে ৫ প্রশ্ন সিব্বলের

Published : Jun 21, 2020, 09:10 PM ISTUpdated : Jun 22, 2020, 10:46 PM IST
স্যাটেলাইট ইমেজই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র রাহুলের , লাদাখ নিয়ে কেন্দ্রকে ৫ প্রশ্ন সিব্বলের

সংক্ষিপ্ত

প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা রাহুল গান্ধীর  স্যাটেলাইট ইমেজ তুলে নিশানা কেন্দ্রীয় সরকারকে ৫ প্রশ্ন কপিল সিব্বলের   

শুক্রবার সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন কেউ আমাদের জমি দখল করে নেয়নি। কেই আমাদের জমিতে পোস্ট তৈরি করেনি। শনিবারই প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে রাহুল বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী আত্মসমর্পণ করেছেন। সেখানে 'স্যারেন্ডার' বানান ভুল লিখেছিলেন বলে এদিন একই বার্তা দেন। পাশাপাশি শুধরে নেন নিজের ভুল। কিন্তু সেখানেও নিজের রণদেহী মনোভাব থেকে পিছু হাঁটেননি তিনি। নরেন্দ্র মোদী সম্বন্ধে বিদেশী সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত একই খবরও তুলে ধরেন। যার শিরোনাম ছিল চিনের প্রতি ভারতের তুষ্টির নীতি উনমোচিত হয়েছে। 

বিকেলে দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান রাহুল গান্ধী।   বলেন  প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন আমাদের সীমানায় কেউ প্রবেশ করেনি। কিন্তু স্যাটেলাইট ইমেজ বলছে অন্য কথা। সেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, চিন প্যাংগন লেক পর্যন্ত ভারতীয় সীমা অধিগ্রহণ করেছে। রবিবার বিকেলে হিন্দিতে সোশ্যাল মিডিয়ার বার্তা দিয়ে লাদাখ ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা কেরেন তিনি। 

পূর্ব লাদাখ সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্যাংগন লেক। গত ৫ ও ৬ এই এলাকায় চিনা সৈন্যদের সঙ্গে ভারতীয় সৈন্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। উত্তপ্ত হয়েছিল সীমান্ত পরিস্থিতি। উত্তেজনা প্রসমনে সামরিক পর্যায়ে কথাবার্তা হয় দুই দেশের মধ্যে।  তারপর গত সোমবার গালওয়ান উপত্যকায় ১৪ নম্বর পেট্রোল পোস্টের কাছে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশের জওয়ানরা। প্রথমে কেন্দ্রীয় সরকার বা সেনার তরফে যে বয়ান জারি করা হয়েছিল তাতে স্পষ্ট হয়েছিলেন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ভারতের দিকে। কিন্তু সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন  ভারতীয় সীমানায় কেউ প্রবেশ করেনি। 

অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বলও কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে প্রশ্ন তোলেন লাদাখ সীমান্তের উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে পাঁচটি প্রশ্ন করেন। সেগুলি হল  প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য কী জওয়ানের বীরত্বের সঙ্গে বিরোধিতার সঙ্গে বিরোধ নয়। কেউ যদি অনুপ্রবেশ না করে তাহলে ২০ সেনা কীভাবে মারা গেছে। বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতির সঙ্গেও মিলেনি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য । প্রধানমন্ত্রী কে প্রচুর সংখ্যক চিনা সেনার উপস্থিতি অস্বীকার করতে চাইছেন। বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য কেন খণ্ডন করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। 

PREV
click me!

Recommended Stories

Kolkata Earthqueak: বড় খবর! রাতের কলকাতায় তীব্র কম্পন! জোড়াল কম্পনের উৎস কোথায়?
চাল-গম না নিলে এবার ১০০০ টাকা ঢুকবে অ্যাকাউন্টে! কবে থেকে রেশনে চালু হবে এই নিয়ম?