সব সময় কাজ কাজ করবেন না,অফিস বাড়ি সব মিলিয়ে এই চাপ মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে

Published : Nov 08, 2022, 06:40 PM IST
Mental Stress

সংক্ষিপ্ত

আপনিও কি সারাদিন অফিস ও বাড়ির কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সব সময় মানসিক চাপ সহ্য করছেন দুই দিকের এই কাজের চাপ। এই চাপ কি অস্বাভাবিক মানিসক সমস্যা তৈরি করছে! যদি এর উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে আপনাকে সাবধান হতে হবে।

আপনিও কি সারাদিন অফিস ও বাড়ির কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সব সময় মানসিক চাপ সহ্য করছেন দুই দিকের এই কাজের চাপে। বাড়িতেও তার মত কাজ চলতে থাকে। অফিসের কাজের চাপ কি অস্বাভাবিক মানিসক সমস্যা তৈরি করছে! যদি এর উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে আপনাকে সাবধান হতে হবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সারাদিন কাজের কথা চিন্তা করা এবং বেশি চাপ নেওয়া স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। এতে মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে। এটি শুধু আপনার কাজের দক্ষতাই কমিয়ে দেবে না, স্ট্রেস, অ্যাংজাইটি এবং ডিপ্রেশনের মতো সমস্যাকেও শিকার করে তুলবে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনি এগুলি এড়াতে কিছু টিপস চেষ্টা করতে পারেন।

 

নিজেকে উত্সাহিত করুন-

অনেক ঘন্টা কাজ করার পর মানসিক চাপ বা মানসিক চাপ অনুভব করা স্বাভাবিক। এমন পরিস্থিতিতে, এটি এড়াতে, ব্যস্ত সময়সূচী থেকে নিজের জন্য কিছু সময় বের করুন এবং একটি ছোট বিরতি নিয়ে নিজেকে উত্সাহিত করুন। আপনি চাইলে বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। মুভি দেখতে পারেন। এটি আপনাকে আপনার শক্তি আবার কাজ করতে অনেক সাহায্য করবে।

 

ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখুন

অফিসের কাজ বাড়িতে নিয়ে আসা আপনার সবচেয়ে বড় ভুল। তাই পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনকে কখনোই একত্র রাখবেন না। এতে ভারসাম্য তৈরি করে আপনি নিজেকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে পারেন। বাড়ির গন্ডিতে অফিসের আলোচনা বন্ধ করতে শিখুন, যাতে সমন্বয় ভাল হয় এবং আপনি খুশি হন।

 

নেতিবাচক জিনিস থেকে দূরত্বে থাকুন-

বলা হয়, আমরা যা ভাবি, আমাদের ক্ষেত্রেও তাই হয়। তাই কখনোই নেতিবাচক চিন্তা নিয়ে জীবন কাটানো উচিত নয়। আপনার কাজ সম্পর্কে কখনই নেতিবাচক হবেন না। এটি আপনার কাজ করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করবে এবং আগ্রহও ভেঙে যেতে পারে। এটি আপনাকে মানসিকভাবেও বিরক্ত করে। তাই সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করুন এবং নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকুন।

 

জোরপূর্বক কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে

কাজের চাপের কারণে অনেক সময় মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা কাজ করে। এটি আপনার মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই জোরপূর্বক কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আপনার নিজেকে বিশ্রাম দেওয়া উচিত। বিরতির সময় গভীর শ্বাস আপনাকে চাপ থেকে বাঁচাতে পারে। সকাল এবং সন্ধ্যার ধ্যান আপনাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করতে পারে।

আরও পড়ুন- বয়স ও লিঙ্গভেদে রক্তচাপ কেমন হওয়া উচিত, কতটা থাকা উচিত জেনে নিন বিস্তারিত

আরও পড়ুন- ফ্রিজের ডোরের রাবার কি নোংরা, এভাবে পরিষ্কার করুন মিনিটের মধ্যে দেখাবে নতুনের মতো

আরও পড়ুন- সকালে ৪টে করে ভেজানো খেজুর, ম্যাজিকের মত ১৪টি বিষয়ে অব্যর্থ কাজ দেবে, জেনে নিন কী কী

হাঁটতে ভুলবেন না

প্রতিদিন কাজ করতে করতে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই জীবনের কোলাহল থেকে দূরে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা করুন। এটি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপকার করে। তাই মাঝে মাঝে বিরতি নিতে থাকুন এবং পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে সময় উপভোগ করতে ভুলবেন না।

PREV

Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News

click me!

Recommended Stories

অনেক শিশুদের মধ্যেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে! এর কারণ কী হতে পারে জানেন?
মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৬টি খাবার