
আমরা আমাদের বাবা-মায়ের দ্বারা পৃথিবীতে এসেছি। তিনি আমাদের এই পৃথিবীতে নিয়ে আসেন এবং আমরা কেবল তার নামেই স্বীকৃতি পাই। আপনি যত বড় মানুষই হোন না কেন, যখনই কোনও গুরুত্বপূর্ণ দলিল আপনার সামনে আসবে, আপনাকে অবশ্যই তাতে আপনার বাবা-মায়ের নাম উল্লেখ করতে হবে। আজকের সময়ে আপনি যা কিছু হয়েছেন, তা আপনার বাবা-মায়ের সংস্কৃতি এবং তাদের দেওয়া লালন-পালনের কারণে।
বাবা-মা তাদের সন্তানদের জীবনকে উন্নত করতে তাদের সারা জীবনের সুখের সঙ্গে আপস করে। এই ধরনের অভিভাবকদের ধন্যবাদ জানানোর দিনটি হল গ্লোবাল ডে অফ প্যারেন্টস, যা প্রতি বছর ১ জুন পালিত হয়। এই দিনটি কীভাবে শুরু হয়েছিল এবং এর গুরুত্ব কী তা জেনে নেওয়া যাক।
গ্লোবাল ডে অফ প্যারেন্টস কীভাবে শুরু হয়েছিল-
যে মা-বাবা সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জন্য নিজের জীবন বিসর্জন দিতে পিছপা হন না, বৃদ্ধ বয়সে সেই বাবা-মায়ের দেখাশোনার দায়িত্ব যখন সন্তানদের ওপর এসে পড়ে, তখন সন্তানরা ছেড়ে পালাতে শুরু করে। তারা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন পারিবারিক প্রতিশ্রুতি এবং বাবা-মায়ের দায়িত্ব প্রচারের জন্য পিতামাতা দিবস উদযাপনের জন্য কংগ্রেসের একটি প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন।
এই ধারণাটি ইউনিফিকেশন চার্চ, সেনেটর ট্রেন্ট লট দ্বারা সমর্থিত হয়েছিল এবং সেনেটে বিলটি চালু করেছিলেন। এরপর ২০১২ সালের ১ জুন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এই দিবসটি পালনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। সেই থেকে প্রতি বছর ১লা জুন এই দিনটি পালিত হয়।
এই দিনটির গুরুত্ব-
বাবা-মা আমাদের জীবনের জন্য যাই করুন না কেন, তাদের পেছনে কোনও স্বার্থপরতা লুকিয়ে থাকে না। তারা তাদের সন্তানের সুখের জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত। আমাদের সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিত্বের পিছনে আমাদের বাবা-মায়ের আভাস রয়েছে। এমনকি আমরা আমাদের বাবা-মাকে তাদের ভালবাসা এবং ত্যাগের জন্য ধন্যবাদ দিই না।
গ্লোবাল প্যারেন্টস ডে হল বাবা-মাকে ধন্যবাদ জানানোর দিন এবং এটা আমাদের বাচ্চাদের বোঝার দিন যে আমাদের বৃদ্ধ বাবা-মা বোঝা নয়, তারা আমাদের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব আমাদের কর্তব্য মনে করে পালন করা উচিত। এছাড়াও, বাবা-মাকে তাদের সত্যিই প্রাপ্য সম্মান দেওয়া উচিত।
Parenting Tips (পেরেন্টিং টিপস): Read all about Healthy Parenting Tips in Bangla like Child Development Tips , How to Make Baby Sleep etc at Asianet Bangla news