ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সুসম্পর্কের স্বীকতি-স্বরূপ বিশেষ সম্মানে ভূষিত হলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি তাঁর নেতৃত্বের গুণে তিনি বাংলাদেশকে অনেকটা দূর পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।  পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগীতার ক্ষেত্রেও তাঁর অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই তাঁকে ডক্টর কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে  ডক্টর কালাম স্মৃতি ইন্টারন্য়াশনা-এর মুখ্য উপদেষ্টা টিপি শ্রীনিবাসন এদিন এই বিশেষ সম্মান তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রী ডক্টর কে আবুল মোমেন-সহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। 

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের পাশাপাশি, দেশের জনগণ বিশেষত মহিলা ও শিশু কল্যাণে ব্রতী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক শান্তি সহযোগীতার জন্যও তাঁকে এই বিশেষ সম্মান প্রদান করা হয়েছে। বিশেষভাবে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখাপ সময়ে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি বাংলাদেশের জনগণকে এই পুরস্কার উৎসর্গ করতে চান। তিনি আরও বলেন তাঁকে সম্মানিত করার অর্থ সমগ্র বাংলাদেশকে সম্মানিত করা। 

আরও পড়ুন- ৬৯ বছরে পা মোদীর, জন্মদিনের প্রাক্কালে ৬৯ ফুট লম্বা কেক কাটল হিন্দু সংগঠন

আরও পড়ুন- মায়ের আশীর্বাদ নিয়েই দিন শুরু, জন্মদিনে 'নমামি নর্মদা মহোৎসব'এর উদ্বোধনে নরেন্দ্র মোদী

আরও পড়ুন- মঙ্গলবার জন্মদিন নরেন্দ্র মোদীর, আসানসোলের মন্দিরে পুজো দিয়ে গেলেন যশোদা বেন

আরও পড়ুন- দুর্নীতির বোঝা মাথায় নিয়েই কি আত্মঘাতী, অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন বিধানসভা অধ্যক্ষের মৃত্যুতে উঠছে প্রশ্ন

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই পুরস্কার তাঁর দেশের মানুষের জন্য  বৃহত্তর  স্বার্থে কাজ করার পক্ষে অনুপ্রেরণাস্বরূপ। বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানের অয়োজকদেরও ধন্যবাদ জানান। পুরস্কার প্রদানের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডক্টর কালাম ইন্টারন্যাশনালের পরিদকর্শনকারী দল কেরলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি এবং পোন্নাদা (কাপড়) এবং কালাম লোগোও প্রদান করা হয়।