এসওপি অনুসারে আগামী ৭ আগস্ট ঠিক হবে আইএসএলের ভেন্যু আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে জার্সি- শর্টসের রং জানাতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে নতুন জার্সির ডিজাইন এফএসডিএলের অফিসে পাঠাতে হবে ২৪ আগস্টের মধ্যে ১ অক্টোবর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে প্রি-সিজন শুরু করার অনুমতি দিয়েছে এফএসডিএল

ইস্টবেঙ্গলকে বাতিলের খাতায় ফেলেই কার্যত আইএসএলের প্রস্তুতি শুরু করে দিলো আগামী ১৪ আগস্ট ঠিক হবে আইএসএল সংক্রান্ত মেডিক্যাল গাইডলাইনের রূপরেখা। এর মধ্যেই ফ্রাঞ্চাইজিদের নতুন জার্সির ডিজাইন এফএসডিএলের অফিসে পাঠাতে হবে ২৪ আগস্টের মধ্যে। ৩১ আগস্ট প্রকাশিত হতে পারে নতুন মরশুমের ক্রীড়াসূচি। ১ অক্টোবর সমস্ত দলগুলিকে প্রি-সিজন শুরু করার অনুমতি দিয়েছে এফএসডিএল। ১০ অক্টোবরের মধ্যে প্রাক-মরশুম প্র্যাকটিস শুরু করা প্রতিটি দলের কাছে বাধ্যতামূলক ঘোষণা করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আসন্ন গান্ধী-জয়ন্তী নির্দিষ্ট রয়েছে কোচেস ফোরামের জন্য। প্রত্যেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলের ওয়ার্কশপ আয়োজন করতে হবে ৫ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে। আইএসএল-এর উদ্বোধনী ম্যাচ ২১ কিংবা ২২ নভেম্বর হতে পারে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃনতুন মরশুমের সিঁরি আ-র দিনক্ষণ প্রকাশিত, জেনে নিন বিস্তারিত

সূত্র মারফত পাওয়া খবরে মনে করা হচ্ছে, নভেম্বরে কেরল এবং গোয়ায় ম্যাচ আয়োজন করা যাবে। যদিও এই দুটি শহরেও ইদানীং করোনার প্রকোপ দেশের অন্যান্য জায়গার মতোই বেড়ে চলেছে। প্রয়োজন পড়লে প্রতিযোগিতা পিছিয়ে যেতে পারে। ভারতীয় ক্রিকেটের মহাযজ্ঞ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ ১০ নভেম্বরের মধ্যে শেষ হয়ে যাচ্ছে। আইপিএল শেষ হওয়া মাত্র আইএসএলের প্রচারে জোর দেবে স্টার ইন্ডিয়া।

আরও পড়ুনঃ'বুকের মাঝে থাকবে ইডেন ও কলকাতার ভালবাসা', মরুদেশে পারি দেওয়ার আগে বার্তা কেকেআরের

২৬ জুলাই একটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এফএসডিএল জানিয়ে দিয়েছে, হোটেল এবার তারাই ঠিক করবে। শুধুমাত্র খরচের দায়িত্ব নিতে হবে ফ্রাঞ্চাইজিদের। তাই দলগুলি দরদাম করার সুযোগ পাবে না। সার্বিক হোটেল খরচ বাড়বে। এইজন্য অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজিই চাইছে না দলের সংখ্যা বাড়ুক। ইস্টবেঙ্গল প্রতিযোগিতায় এলে আরও দুটি ম্যাচের হোটেল খরচ গুনতে হবে দলগুলিকে। তবে এই ভাবনার ব্যতিক্রম বেঙ্গালুরু এফসি। সুনীল ছেত্রীদের মালিক পার্থ জিন্দাল মনে করেন, দুই প্রধানের বিরুদ্ধে বিএফসি খেললে আলাদা উন্মাদনার সৃষ্টি হয়, যা ভারতীয় ফুটবলের পক্ষে উপকারী। 

আরও পড়ুনঃএবার থেকে সাবধান,ফুটবল মাঠে কাশলেই রেড কার্ড

এদিকে, এখনও ইনভেস্টর পাকা করে উঠতে পারেননি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। আসন্ন দিন তিন-চারেকের মধ্যে ৩০ কোটি টাকা জোগাড় করা তাঁদের কাছে কার্যত অসম্ভব। অবশ্য আই লিগে খেলার জন্য ১০-১২ কোটি টাকা তুলতে পারলেই যথেষ্ট। তবে ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেডের নামে লাইসেন্সিং করার সরকারি ছাড়পত্র পেল লাল-হলুদ। এর মধ্যেই ইস্টবেঙ্গল সচিব জানিয়ে দিয়েছেন যে আইএসএলে খেলার কোনও গ্যারান্টি তারা দিতে পারছেন না এইমুহুর্তে।