রবিবার সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় জয়রাম রমেশ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির চূড়ান্ত বিরোধিতা করেন। ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারির বিরুদ্ধেও সওয়াল করেন 

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের বড় ডিগবাজি আর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসন ভাগাভাগিতে রাজি নাওয়ার পরেও ইন্ডিয়া জোট অক্ষুন্ন রয়েছে বলে বড় দাবি করেছেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। পাশাপাশি তিনি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে হারিয়ে দেবে ইন্ডিয়া জোট। জোট ২৭২টিরও বেশি আসন পাবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য ও মন্তব্যকে ফাঁকা আওয়াজ বলেও কটাক্ষা করেছেন। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রবিবার সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির চূড়ান্ত বিরোধিতা করেন। ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারির বিরুদ্ধেও সওয়াল করেন। নির্বাচনী বন্ড নিয়ে দেশে সবথেকে বড় আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে বলেও দাবি করেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পটির মাধ্যমে সবথেকে বেশি ফয়দা তুলেছে বিজেপি। তিনি প্রমাণ হিসেবে দাবি করেছেন মাত্র ৪ হাজার কোটি টাকার বন্ডগুলির মাধ্যমে সংস্থাগুলি ৪ লক্ষ কোটি টাকার চুক্তি করেছে। তাতে আদতে লাভবান হয়েছে বেসরকারি সংস্থা আর বিজেপি। দেশের মানুষকে ঠকানো হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন কেন্দ্রের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কেজরিওয়াল ও হেমন্ত সোরেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Mahua Moitra: 'সিবিআই তদন্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে', লম্বা চিঠিতে মহুয়ার অভিযোগ নির্বাচন কমিশনকে

এদিন সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় জয়রাম রমেশ জোট-জট নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, বিরোধীদের মধ্যে ঐক্য রয়েছে। সবক্ষেত্রে আসন রফা না হলেও বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, এনসিপি, শিবসেনা, ডিএমকে, আম আদমি পার্টির সঙ্গে জোট অক্ষত রয়েছে। সেই সময়ই তিনি বলেন পশ্চিমবঙ্গে সিপিএম ও সিপিআই-এর সঙ্গে জোট হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, অসমে ১১টি দলের জোটে কংগ্রেস রয়েছে। সমাজবাদী পার্টির সঙ্গেও আসন রফা হয়েছে। তিনি জানিয়েদেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসন ভাগাভাগি না করলেও তিনি ইন্ডিয়া জোটের অংশ রয়েছেন বলেও দাবি করেছেন। এদিন তিনি রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢ়রার উত্তর প্রদেশের প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মুখ খুললেও কোনও স্পষ্ট কথা বলেননি। বলেছেন গান্ধী পরিবারের সদস্যদের আমেঠি আর রায়বরেলি কেন্দ্রের প্রার্থী করার জন্য স্থানীয় নেতারা শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর চাপ তৈরি করছে। তবে এখনও কিছু চুড়ান্ত হয়নি। রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, দলের সিদ্ধান্ত তাঁরা মেনে নেবেন।

Lok Sabha Elections: বিজেপিকে টেক্কা তৃণমূলের! কুণালের ভবিষ্যদ্বাণীতে রইল রাজ্যের ভোট যুদ্ধের ফলাফল