Narendra Modi Uzbekistan Visit: শনিবার উজবেকিস্তান সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দু'দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির ক্ষেত্রে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় যে অস্থিরতা চলছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত-উজবেকিস্তানের বোঝাপড়া জরুরি হতে পারে।

DID YOU
KNOW
?
জোড়া সফর মোদীর
উজবেকিস্তান সফর শেষ করে রবিবার কিরগিজ প্রজাতন্ত্র সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ দেবেন।

Prime Minister Narendra Modi: শনিবার উজবেকিস্তানের (Uzbekistan) রাজধানী তাসখন্দে (Tashkent) পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিয়োয়েভ (Uzbekistan President Shavkat Mirziyoyev)। স্বাগত জানানোর জন্য উজবেক প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি তাঁর চতুর্থ উজবেকিস্তান সফর। তাঁর কথায়, দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা এবং ক্রমবর্ধমান গতিরই প্রতিফলন এই সফর। উজবেক প্রেসিডেন্ট মিরজিয়োয়েভের সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল যোগাযোগ, জ্বালানি, শিক্ষা এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখাও তৈরি হতে পারে। ‘এক্স’ হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘তাসখন্দে পৌঁছে প্রেসিডেন্ট মিরজিয়োয়েভের উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন তিনি।’ এই ‘বিশেষ উদ্যোগের’ জন্য উজবেক প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

উজবেকিস্তান, কিরগিজ সফর প্রধানমন্ত্রীর

শনিবারই নয়াদিল্লি থেকে দুই দেশের সফরে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার ও রবিবার উজবেকিস্তানে থাকবেন তিনি। এরপর কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের (Kyrgyz Republic) রাজধানী বিশকেকে (Bishkek) গিয়ে রবিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত ২৬-তম সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (Shanghai Cooperation Organisation) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

গুরুত্বপূর্ণ সফর প্রধানমন্ত্রীর

সফর শুরুর আগে দেওয়া বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিরাপত্তা, সংযোগ ও সুযোগ’, এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এসসিও-তে ভারতের ভাবনাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও উগ্রপন্থামুক্ত একটি অঞ্চল গড়ে তুলতে সদস্য দেশগুলির সঙ্গে কাজ করার কথাও জানান তিনি। ২০১৭ সাল থেকে এসসিও-র সক্রিয় ও গঠনমূলক সদস্য হিসেবে ভারত কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। উজবেকিস্তান সফরকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘বিকশিত ভারত’ এবং ‘নতুন উজবেকিস্তান’, এই অভিন্ন লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও সফরটি গুরুত্বপূর্ণ। তাসখন্দে থাকার সময় প্রধানমন্ত্রী শাস্ত্রী মেমোরিয়াল এবং তাসখন্দ স্টেট ইউনিভার্সিটি অব ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের মহাত্মা গান্ধী সেন্টার পরিদর্শন করবেন। এর মাধ্যমে দুই দেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও পারস্পরিক জনসংযোগের সম্পর্ক আরও তুলে ধরা হবে। তাসখন্দ সফর শেষে কিরগিজ প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারভের (Kyrgyz President Sadyr Zhaparov) আমন্ত্রণে বিশকেকে যাবেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।