Olympic Games: এশিয়ান গেমস (Asian Games), কমনওয়েলথ গেমসের (Commonwealth Games) মতো বহুজাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলিতে ভারত অনেক পদক পেলেও, অলিম্পিক্সে এখনও পর্যন্ত কোনওবারই পদক সংখ্যা বেশি হয়নি। ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সের (LA 2028 Olympics) আগে ক্রীড়াবিদদের বিশেষ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Prime Minister Narendra Modi)।

DID YOU
KNOW
?
অলিম্পিক্সে সাফল্য লক্ষ্য
ভারত যাতে অলিম্পিক্সে আরও পদক জিততে পারে, সেই লক্ষ্যে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

Olympic Sports: অলিম্পিক্সে ভারতের পদকসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হলে আরও ইভেন্টে যোগ দিতে হবে বলে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Prime Minister Narendra Modi)। একাধিক ডিসিপ্লিনে ভারতের অনুপস্থিতিকে তিনি ‘তিক্ত সত্য’ হিসেবে উল্লেখ করে পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। ২৯ আগস্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবসের (National Sports Day) আগে বৃহস্পতিবার ‘খেলো ইন্ডিয়া ডায়ালগ’-এ ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখার সময় এই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কয়েকশো ক্রীড়াবিদ, পড়ুয়া ও স্বেচ্ছাসেবক উপস্থিত ছিলেন। আইআইটি গান্ধীনগর (IIT Gandhinagar) থেকে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যও (Sports Minister Mansukh Mandaviya)।

অলিম্পিক্সে আরও খেলায় যোগ দেওয়ার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘অলিম্পিক্সে অনেক ধরনের খেলা রয়েছে। ভারতীয় দল তার অর্ধেক খেলাতেও যোগ দেয় না। এর অর্থ, মোট পদকের একটি বড় অংশের জন্য আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি না। এই পরিস্থিতি বহু দশক ধরে চলে আসছে। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিক্সে (2012 Olympic Games London) ভারত মাত্র ১৩টি খেলায় যোগ দিয়েছিল। ২০টিরও বেশি ইভেন্টে ভারতের কোনও প্রতিনিধিত্ব ছিল না। যেসব খেলায় ভারত ইতিমধ্যেই শক্তিশালী, শুধুমাত্র সেগুলির ওপর নির্ভর করে দেশের পদকসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব নয়। বরং নতুন নতুন খেলায় প্রতিভা খুঁজে বের করে সেগুলিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।’

সার্ফিং ও স্পোর্ট ক্লাইম্বিংয়ের উপর জোর প্রধানমন্ত্রীর

অলিম্পিক্সে নতুন ডিসিপ্লিনের সম্ভাবনা বোঝাতে প্রধানমন্ত্রী সার্ফিং ও স্পোর্ট ক্লাইম্বিংয়ের উদাহরণ দেন। তাঁর মতে, ভারতের বিশাল সমুদ্র উপকূল এবং বিস্তীর্ণ পার্বত্য অঞ্চল এই খেলাগুলিতে প্রতিভা গড়ে তোলার স্বাভাবিক সুযোগ তৈরি করে। তাঁর কথায়, ‘আমাদের এত বিশাল উপকূলরেখা এবং এত বিস্তীর্ণ পার্বত্য অঞ্চল রয়েছে, যেখানে এই ধরনের খেলাগুলির প্রতি স্বাভাবিক আকর্ষণ তৈরি হতে পারে।’

২০৩৬ অলিম্পিক্সের আগে প্রতিভা খুঁজে বের করার উদ্যোগ

স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দেশের অলিম্পিক্স প্রস্তুতি শক্তিশালী করতে ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সি শিশুদের নিয়ে দেশব্যাপী প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি চালু করা হবে। দীর্ঘমেয়াদি এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্সের জন্য আগেভাগেই প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদদের চিহ্নিত ও তৈরি করা। তবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে শুধু পদক জয়ের বিষয়টিই গুরুত্ব পায়নি। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের ব্যক্তিত্ব গঠন এবং দেশ গড়ার ক্ষেত্রেও এর ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘খেলাধুলা শুধু আমাদের চ্যাম্পিয়ন হতে শেখায় না, আরও ভালো প্রতিযোগী হতেও শেখায়। ওঠা, পড়ে যাওয়া এবং আবার উঠে দাঁড়ানো, খেলাধুলা আমাদের মধ্যে এই মানসিকতা তৈরি করে।’

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।