- Home
- India News
- Surendra Koli: নিঠারি কাণ্ডে বেকসুর খালাস সুরেন্দ্র কোলির আত্মহত্যা! হরিদ্বারে মিলল ঝুলন্ত দেহ
Surendra Koli: নিঠারি কাণ্ডে বেকসুর খালাস সুরেন্দ্র কোলির আত্মহত্যা! হরিদ্বারে মিলল ঝুলন্ত দেহ
২০০৬ সালের নিঠারি সিরিয়াল মার্ডার মামলায় বেকসুর খালাস পাওয়া সুরেন্দ্র কোলি আত্মহত্যা করেছেন। হরিদ্বারের ভূপতওয়ালা এলাকায় একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই তিনি ওই দোকানটি চালাচ্ছিলেন বলে খবর।

হরিদ্বারে সুরেন্দ্র কোলির মৃত্যু
পুলিশ জানিয়েছে, ২০০৬ সালের কুখ্যাত নিঠারি সিরিয়াল মার্ডার মামলায় বেকসুর খালাস পাওয়া সুরেন্দ্র কোলি উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে আত্মহত্যা করেছেন। ভূপতওয়ালা এলাকায় একটি চায়ের দোকানের ভেতর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। গত কয়েকদিন ধরে তিনি নিজেই ওই দোকানটি চালাচ্ছিলেন।
ভিডিও | হরিদ্বার, উত্তরাখণ্ড: নিঠারি কাণ্ডের অভিযুক্ত সুরেন্দ্র কোলির মৃতদেহ ভূপতওয়ালা এলাকায় পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে অনুমান।
কোলি গত কয়েকদিন ধরে ভূপতওয়ালায় থাকছিলেন এবং একটি চায়ের দোকান চালাচ্ছিলেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে,… pic.twitter.com/9AYUkXh6Eb— প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া (@PTI_News) ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
উত্তরাখণ্ড | ২০০৬ সালের নিঠারি সিরিয়াল কিলিং মামলায় ২০২৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট থেকে বেকসুর খালাস পাওয়া সুরেন্দ্র কোলি ভূপতওয়ালা এলাকায় আত্মহত্যা করেছেন, জানাল হরিদ্বার পুলিশ।
— এএনআই (@ANI) ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
পুলিশ খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং মৃতদেহটি উদ্ধার করে। ঠিক কী কারণে এই মৃত্যু, তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

নিঠারি মামলায় বেকসুর খালাস পান কোলি
২০০৬ সালের ডিসেম্বরে নয়ডার সেক্টর ৩১-এর ডি-৫ বাড়ির কাছ থেকে মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার হয়। এরপরই প্রকাশ্যে আসে নিঠারি হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনার অন্যতম মূল অভিযুক্ত ছিলেন সুরেন্দ্র কোলি।
নিঠারি এবং তার আশেপাশের এলাকা থেকে বেশ কয়েকটি শিশু ও এক তরুণীর নিখোঁজ হওয়া এবং মৃত্যুর ঘটনা জড়িয়ে ছিল এই মামলায়। কোলি ব্যবসায়ী মনিন্দর সিং পান্ধেরের পরিচারক হিসেবে কাজ করতেন। একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রথমে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু পরে এই মামলা বড় মোড় নেয়। প্রমাণের অভাবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে এলাহাবাদ হাইকোর্ট কোলি এবং পান্ধেরকে বেকসুর খালাস করে। সুপ্রিম কোর্ট এরপর ২০২৫ সালের জুলাই মাসে উত্তরপ্রদেশ সরকারের করা আপিলও খারিজ করে দেয়।
তদন্তে নেমেছে পুলিশ
আইনি প্রক্রিয়া শেষে জেল থেকে ছাড়া পান কোলি। এরপর তিনি হরিদ্বারে চলে যান। সেখানে ভূপতওয়ালা এলাকায় একটি ছোট চায়ের দোকান চালাচ্ছিলেন তিনি।
মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল এবং তাঁর সাম্প্রতিক জীবনের কোনও ঘটনা এর পেছনে দায়ী কি না, তা পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে। এখনও পর্যন্ত কোনও সুইসাইড নোট বা আত্মহত্যার নির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ্যে আসেনি।
ময়নাতদন্ত এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মৃতদেহটি পাঠানো হয়েছে।
(এজেন্সির ইনপুট সহ)