নির্বাচন কমিশনে পছন্দের নাম ও প্রতীকের তালিকা কমিশনে পাঠিয়ে দিল কালীঘাট তৃণমূল শিবির। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পছন্দের নাম ও প্রতীক জানিয়ে কমিশনে মেল করেন। জোড়াফুল প্রতীক আপাতত ব্যবহার করতে পারবে না কোনও শিবিরই। তাই দুই পক্ষকেই বিকল্প তিনটি করে প্রতীকের প্রস্তাব দিতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে।

নির্বাচন কমিশনে পছন্দের নাম ও প্রতীকের তালিকা কমিশনে পাঠিয়ে দিল কালীঘাট তৃণমূল শিবির। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পছন্দের নাম ও প্রতীক জানিয়ে কমিশনে মেল করেন। জোড়াফুল প্রতীক আপাতত ব্যবহার করতে পারবে না কোনও শিবিরই। তাই দুই পক্ষকেই বিকল্প তিনটি করে প্রতীকের প্রস্তাব দিতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে। সূত্রের খবর, কালীঘাট-শিবিরের তরফে কমিশনের কাছে তিনটি নামের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হল—‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস মমতা’ এবং ‘তৃণমূল মমতা কংগ্রেস’।

এই নামগুলির মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রাখার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, দলের নামের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম থাকলে ভোটারদের কাছে শিবিরটিকে চিহ্নিত করা সহজ হতে পারে। পাশাপাশি, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ শব্দবন্ধটিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রস্তাবিত তিনটি নামেই ‘তৃণমূল’ এবং ‘কংগ্রেস’ শব্দ দুটির উপস্থিতি রয়েছে।

জোড়াফুল নেই, মমতার পছন্দ কোন প্রতীক?

ঘাসফুল বা জোড়াফুল প্রতীকটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। সেই প্রতীকে লড়েই তিন বার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তিনি। তবে দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক নিয়ে বিরোধের জেরে আপাতত জোড়াফুল প্রতীকটি ‘ফ্রিজ’ করেছে নির্বাচন কমিশন। এর পরেই বিকল্প প্রতীক হিসেবে কালীঘাট শিবিরের তরফে দুটি প্রতীক পছন্দ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেগুলি হল—‘ফুটবল খেলোয়াড়’ এবং ‘ব্যাট’।

তিন প্রতীকের প্রস্তাব ঋতব্রত-শিবিরের

অন্য দিকে, ঋতব্রত-শিবিরের তরফেও দলের নামের জন্য দুটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ‘জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’—এই দুটির মধ্যে একটি নামে তাঁরা লড়তে চান বলে সূত্রের খবর। পছন্দের প্রতীক হিসেবে কমিশনের কাছে তিনটি বিকল্প পাঠানো হয়েছে। সেগুলি হল—‘খাম’, ‘টর্চ’ এবং ‘ব্ল্যাকবোর্ড’।

বৃহস্পতিবার রাতে কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রতীক স্থগিত করেছে। বর্তমানে, তৃণমূলের উভয় গোষ্ঠীই রাজ্যের দুটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না। তাদের অন্য নির্বাচনী প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটিও ব্যবহার করা যাবে না। একটি বিকল্প নাম বেছে নিতে হবে। উভয় গোষ্ঠীকে নাম ও প্রতীক বেছে শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে কমিশনের কাছে জমা দিতে বলা হয়। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর দুই শিবিরের। কোন নাম এবং কোন প্রতীক চূড়ান্তভাবে বরাদ্দ করা হয়, সেটাই দেখার।