সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কলকাতায় এসেছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, বিএসএফ কনভয় নিয়ে কলকাতা সহ জেলার কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন। সূত্রের খবর, সেই দলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ছয় বিএসএফ কর্মীর কোভিড-১৯ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাঁদের প্রত্যেককে এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা চলছে। এখনও পর্যন্ত ওই ছয় জনের সংস্পর্শে আসা ৫০ জন জওয়ানকে পাঠানো হয়েছে কোয়রান্টিন সেন্টারে।

 আরও পড়ুন, ভোররাত থেকেই কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি, প্রবল দুর্যোগ চলবে আগামী আরও ৭২ ঘণ্টা

প্রসঙ্গত করোনা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কলকাতায় এসেছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তাঁরা বালিগঞ্জ গুরুসদয় রোডে বিএসএফ-এর এক অতিথিশালায় ছিলেন। তাঁরা বিএসএফ কনভয় নিয়ে কলকাতা সহ জেলার কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন। সেই দলের সঙ্গে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকতেন  বিএসএফ জওয়ানের তিনটি গাড়ি। বিএসএফ সূত্রে খবর, যে ৬ জন কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে দুই জন চালক এবং এক জন অপারেটার রয়েছেন। কারা কারা তাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, এই মুহূর্তে তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। 

 

আরও পড়ুন, শুধু কলকাতাতেই করোনা আক্রান্ত ৭০০, মহানগরকে ঘিরে ঘুম ছুটছে রাজ্য়বাসীর


অপরদিকে, গত সোমবার কেন্দ্রীয় দল দিল্লি ফিরে গিয়েছে। সেই দিনই কেন্দ্রীয় দলের এক এসকর্ট পাইলটের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তার পর বাকিদেরও কোভিড-১৯ টেস্ট করানো হয়। ইতিমধ্যেই ৬ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিএসএফ-র (সাউফ বেঙ্গল) ডিআইজি এসএস গুলেরিয়াকে এ বিষয়ে বলেন, 'এখনও পর্যন্ত ৬ জন আক্রান্ত। কোয়রান্টিনে পাঠানো হয়েছে ৫০ জনকে। গোটা পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হচ্ছে।' উল্লেখ্য়, প্রথমবার কেন্দ্রীয় দলের এসকর্ট কারের চালকের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর  বিএসএফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, ওই চালকের সংস্পর্শে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের কোনও সদস্যই আসেননি। তাই তাঁরা আপাতত নিরাপদ।

 

 

কেন্দ্র বলছে ১৩৩, রাজ্য়ের হিসেবে করোনায় মৃত ৬৮

করোনা উপসর্গ সহ মিজোরামের বাসিন্দার মৃত্য়ু হল কলকাতায়, ক্যানসারের জন্য় তিনি ছিলেন চিকিৎসাধীন

রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর হারে দেশের শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, বলছে কেন্দ্রের টিম

রোগী ফেলে পালাতে পারল না অ্যাম্বুল্যান্স, পিপিই পরা স্বাস্থ্য়কর্মীদেরকে তীব্র প্রতিবাদ নাকতলাবাসীর