ভোররাত থেকে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি হয়েছে।  হাওয়া অফিস জানিয়েছে,  বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম। কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আগামী এক থেকে দু ঘণ্টা ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েয়েছ হাওয়া অফিস।

 

 

আরও পড়ুন, কেন্দ্র বলছে ১৩৩, রাজ্য়ের হিসেবে করোনায় মৃত ৬৮
 
 কলকাতার তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে গিয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে,  বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম।এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  শহরের বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৬ শতাংশ। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ন্যূনতম ৫৩ শতাংশ। এই মুহূর্তে শহর কলকাতার তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।   আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।  কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বইবার সম্ভাবনা।  দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা।  

 

 

আরও পড়ুন, শুধু কলকাতাতেই করোনা আক্রান্ত ৭০০, মহানগরকে ঘিরে ঘুম ছুটছে রাজ্য়বাসীর

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার শীতল হাওয়ার সঙ্গে পূবালী গরম হওয়ার সংঘাতে ঝড়-বৃষ্টি রাজ্যজুড়ে। আগামী কয়েকদিন ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস। আগামীকাল ঝড়-বৃষ্টির বাড়বে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে। কোথাও কোথাও শিলা বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়-বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। বজ্র বিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা। এই ঝড় বৃষ্টির প্রভাব চলবে রবিবার পর্যন্ত। দক্ষিণ আন্দামান সাগরের নিম্নচাপ আগামী চার দিন একই জায়গায় অবস্থান করবে। শক্তি সঞ্চয় করে অভিমুখ পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনাই দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা। এই নিম্নচাপ থেকে আর কোনো আশঙ্কা থাকছে না ভবিষ্যতে। তাই মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্ক বার্তা নেই।

আরও পড়ুন, লকডাউনে মদ কিনতে হাজির হাজারখানেক মানুষ, মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় ১৪৪ ধারা ভাঙতেই পুলিশের লাঠিচার্জ

 

 

 কলকাতায় করোনা আক্রান্ত কেন্দ্রীয় দলের গাড়িচালক, সংস্পর্শে আসা ব্য়ক্তিদের পাঠানো হবে কোয়ারেন্টিনে

  করোনা উপসর্গ সহ মিজোরামের বাসিন্দার মৃত্য়ু হল কলকাতায়, ক্যানসারের জন্য় তিনি ছিলেন চিকিৎসাধীন

রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর হারে দেশের শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, বলছে কেন্দ্রের টিম

রোগী ফেলে পালাতে পারল না অ্যাম্বুল্যান্স, পিপিই পরা স্বাস্থ্য়কর্মীদেরকে তীব্র প্রতিবাদ নাকতলাবাসীর