করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দীর্ঘ লকডাউন চলছে। এমন সময়ে এমন সময়ে কর্মীদের বেতন থেকে বঞ্চিত না করার আবেদন জানিয়েছিল সরকার। এদিকে সেই সরকারি আবেদনকে গ্রাহ্য় না করেই কর্মীদের মাসিক বেতনে কোপ বসাল বিগবাজার। যার জেরে মাসিক সামান্য় বেতন না পেয়ে অভুক্ত রয়েছেন দুধের শিশু সহ বিগবাজারের এক স্টাফের পরিবার। তিনি সম্প্রতি সোশ্য়াল মিডিয়ায় একটি ভিডিওর মাধ্য়মে সাহায্য় চেয়েছেন এবং কোম্পানিকে এই দুর্দিনে পাশে দাড়াতে বলেছেন।

আরও পড়ুন, প্রবল বৃষ্টিতে ভাসতে চলেছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ, সঙ্গে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

 

 

নমষ্কার জানিয়ে অপূর্ব রাজবংশি জানিয়েছেন, 'আমি একজন বিগ বাজারের স্টাফ। ৬ তারিখ পার হয়ে গিয়েছে কিন্তু কোম্পানি আমাদের কোনও বেতন দেয়নি। শুধু আমাকেই নয়, আমার মত কয়েক হাজার স্টাফ কেউ বেতন পায়নি। আমার অনেক ভাই-বোন যারা বিগবাজারে নুন্য়তম ৮০০০ থেকে ৯০০০ টাকার বেতনে কাজ করেন, বঞ্চিত করা হয়েছে তাদেরকেও। আমার পরিবারে আমার ছোট মেয়ে, বউ, মা এবং ভাই আছে। তাহলে আমাদের সংসার কীভাবে চলবে। আমরা যে সামান্য় টাকা মাসিক বেতন পাই, সংসারে খরচ করার পর সেখান থেকে আর সঞ্চয়ের জন্য় কিছুই বাকি থাকে না। আমি এখন যদি বেতন না পাই তাহলে সন্তানের জন্য় দুধ কীভাবে কিনব। এদিকে কোম্পানি আমাদের কিছু বলছে না। আমি চাই এই বার্তা আমাদের কোম্পানির এমডি কিশোরবিহারির কাছে পৌছে যাক। সেজন্য় আমার এই ভিডিও করা।'

আরও পড়ুন, পলকেই অ্য়াকাউন্ট ফাঁকা করতে পারে প্রতারকরা, গ্রাহকদের সতর্ক করল এসবিআই


বিগবাজার স্টাফ অপূর্ব রাজবংশি আরও জানিয়েছেন  আমি আজ ১১ বছর কোম্পানিকে কাজ দিয়ে আসছি। সেখানে এক মাস আমাদের মানবিকতার খাতিরে বেতন দিক। কিন্তু সেটা করা হচ্ছে না। আমাদের খাবার কেনা পর্যন্ত টাকা নেই। আমরা খুব কষ্টে আছি। কোম্পানির সর্বস্তরে উঁচু পদে আছেন যারা, তাদের কাছে আমার অনুরোধ রইল। প্লিজ কিছু করুন।' উল্লেখ্য়, শুধু বিগবাজার সহ আরও বহু সংস্থার অনেক কর্মীর অভিযোগ তারা কেউ এক মাস কেউ বা গত দু মাসের মাইনে পাননি। 

আরও পড়ুন, পুরসভার প্রশাসক পদে ফিরহাদ! মামলা দায়ের কলকাতা হাইকোর্টে

 

 

করোনার থাবা এবার যাদবপুরের কেপিসি মেডিকেলে, উপসর্গ মিলল প্রসূতি বিভাগের ৩ রোগীর শরীরে

রাজ্য়ে করোনা আক্রান্তের অর্ধেকের বেশি কলকাতার,৭০০ থেকে একদিনে ৭৫৪

করোনার থাবায় বন্ধ বাঘাযতীনের এক নার্সিংহোম, স্যানিটাইজেশনে বাঘাযতীন হাসপাতাল

করোনা উপসর্গ সহ মিজোরামের বাসিন্দার মৃত্য়ু হল কলকাতায়, ক্যানসারের জন্য় তিনি ছিলেন চিকিৎসাধীন

রোগী ফেলে পালাতে পারল না অ্যাম্বুল্যান্স, পিপিই পরা স্বাস্থ্য়কর্মীদেরকে তীব্র প্রতিবাদ নাকতলাবাসীর