রাজ্যে ইতিমধ্যেই সেফ হোম পরিষেবা শুরু হয়ে গিয়েছে।  'বেড মিলছে না কোভিড হাসপাতালে', একাধিকবার এই অভিযোগ উঠেছে। উপসর্গহীন বা সামান্য উপসর্গযুক্ত ভাইরাস সংক্রমিত অথচ উপসর্গ প্রকাশ পাচ্ছেনা  রোগীরা যাতে হাসপাতালে শয্যা আটকে না রাখেন সে জন্য পুর এলাকায় তৈরি করা হচ্ছে 'সেফ হোম' কলকাতা সহ রাজ্য়ে। আর এবার 'আইসিএমআর'-এর ডিরেক্টর জেনারেল চিকিৎসক বলরাম ভার্গব জানিয়েছেন, কোভিড মোকাবিলায় বাংলার 'সেফ হোম' গোটা দেশের মডেল হওয়া উচিত।

শুক্রবার বলরাম ভার্গব-সহ আইসিএমআর-এর অন্য শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তাদের দীর্ঘসময় ভিডিও কনফারেন্সে হয়েছে। সেখানেই আইসিএমআর-এর প্রধান রাজ্যের সেফ হোম পরিষেবা নিয়ে প্রশংসা করেন। তাঁর সঙ্গে অন্য আধিকারিকরাও সেফ হোমের প্রশংসা করেছেন। এরপরই তাঁরা জানান, অন্য রাজ্যগুলির কাছে মডেল হতে পারে এই ব্যবস্থা। অন্য রাজ্যগুলির কাছে এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে প্রস্তাব দেবে আইসিএমআর।

অপরদিকে, সম্প্রতি সব রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌরা। বৈঠকে বাংলার মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা সেফ হোমের কথা তিনি জানিয়েছেন। কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় ৬ হাজার ৯০৮ শয্যার ১০৬টি 'সেফ হোম' তৈরি করা হয়েছে। গোষ্ঠী সংক্রমণ রুখতে 'সেফ হোম' যে গুরুত্বপূর্ণ , এবিষয়ে সহমত প্রকাশ করেন রাজীব গৌরা। ইতিমধ্যেই বাংলার 'সেফ হোম' মডেল অনুসরণ করে উপকৃত হয়েছে রাজস্থানও। 


উল্লেখ্য়, খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে বিনা পয়সায় চিকিৎসা সবটাই মিলবে এই সেফ হোমে থাকা আবাসিকদের।   ইতিমধ্যেই গীতাঞ্জলি ও কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামকে সেফ হোম হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। গীতাঞ্জলির জন্য কেএমডিএ-কে এবং কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামের জন্য পূর্ত দপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, বারাসাতের বিদ্যাসাগর ক্রীড়াঙ্গনে তৈরি হয়েছে সেফহোম। 

 

 

করোনায় ফের ১ এসবিআই কর্মীর মৃত্য়ু, মৃতের পরিবারকে চাকরি দেওযার দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীরা

   পূর্ব ভারতের প্রথম সরকারি প্লাজমা ব্যাঙ্ক-কলকাতা মেডিকেল, করোনা রুখতে প্রস্তুতি তুঙ্গে

  মৃত্যুর পর ২ দিন বাড়ির ফ্রিজে করোনা দেহ, অভিযোগ 'সাহায্য মেলেনি স্বাস্থ্য দফতর-পুরসভার'

  অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকলের পরও কোভিড জয়ী ৫৪-র দুধ ব্যবসায়ী, শহরকে দিলেন এক সমুদ্র আত্মবিশ্বাস

কোভিড রোগী ফেরালেই লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতালগুলিকে হুঁশিয়ারি রাজ্য়ের