বৃহস্পতিবার সরকারি আশ্বাসে আপাতত রাস্তায় বাস নামাতে রাজি হলেন মালিকরা। পরিবহণ দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে মালিকরা একাধিক নতুন দাবি তোলেন।  আর তারপরই বৃহস্পতিবার থেকে ফের রাস্তায় বাস নামানোর আশ্বাস দিয়েছেন মালিক সংগঠনের নেতারা।

আরও পড়ুন, ফের পারদ চড়ল শহরে, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা
 

২৬ জুন নবান্নে গিয়ে মাসিক ১৫ হাজার টাকা প্যাকেজের বিনিময়ে যে দুটি বাস সংগঠন মুখ্যমন্ত্রীকে ১ জুলাই থেকে তাদের সব বাস পথে নামানোর অঙ্গীকার করে এসেছিল, তারাই বুধবার বৈঠকে ছিল। পাশাপাশি ছিলেন সেদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ডাক না পাওয়া দক্ষিণবঙ্গের বাস-মিনিবাস মালিকদের আরও ১০টি সংগঠন। পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর সামনে সেদিন যে দুটি বাস সংগঠন সব বাস রাস্তায় নামানোর ব্যাপারে কথা দিয়ে এসেছিল, তারা কথা রেখেছে। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়। কলকাতায় যে ৬০০০ বেসরকারি বাস চলে, তার মধ্যে এই দুই সংগঠনের হাতে রয়েছে ৮০০ বাস।  বুধবার তাই বাকি ১০টি সংগঠনকেও পরিবহন কর্তারা বৈঠকে ডাকেন। বৈঠকে কিছুটা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে।  এবার   রাজ্যের সমস্ত বাস সংগঠনই যাতে বাস রাস্তায় নামায়, সেই ব্যাপারে বড়সড় পদক্ষেপ নেওয়া হল। বৈঠকে জট কাটার সূত্র মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। সরকারের তরফে খানিকটা আশ্বাস পেয়ে ২ জুলাই বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতার রাস্তায় বাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলে পাল্টা জানানো হয় বাস মালিক সংগঠনগুলির তরফেও।

আরও পড়ুন, মৃত্যুর পর ২ দিন বাড়ির ফ্রিজে করোনা দেহ, অভিযোগ 'সাহায্য মেলেনি স্বাস্থ্য দফতর-পুরসভার'

 বৈঠকে মালিকদের পক্ষ থেকে সরকারকে এই প্রস্তাব গুলি দেওয়া হয়েছে। সরকার অধিগ্রহণ করে আপাতত বাস চালাক। ১৫ হাজারের প্যাকেজ লাগবে না। বদলে বাসে জ্বালানি ভরে দিক সরকার। নিজেদের কর্মী দিয়েই পরিষেবা দেবেন বাস মালিকরা।  সরকার প্যাকেজ দেওয়ার জন্য ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল। সেই টাকা দিয়ে ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে বিভিন্ন সংগঠনের কাছ থেকে যে বাস অধিগ্রহণ করা হয়েছিল, সেই বাবদ মোট ১২ কোটি ৮১ লাখ টাকা মিটিয়ে দেওয়া হোক। নতুন অধিগ্রহণ ব্যাবস্থায় সরকার সাপ্তাহিক ভিত্তিতে বাস মালিকের অ্যাকাউন্টে টাকা দিক। যদি অধিগ্রহণ না করা হয় তাহলে ন্যূনতম ভাড়া বাড়ুক। করোনা পরিস্থিতিতে কমপক্ষে ১০, ১৫ ও ২০ টাকা ভাড়া করা হোক। লকডাউন ও আনলক ওয়ানে পুলিসের কেস দেওয়া বন্ধ ছিল। এটা কমপক্ষে পুজো পর্যন্ত বাড়ানো হোক। জেলা থেকে আসা বাসচালক ও কনডাক্টরদের জন্য লোকাল ট্রেন বা মেট্রোয় আসার ছাড়পত্র দেওয়া হোক। জ্বালানিতে রাজ্য সরকারের সেস প্রত্যাহার করা হোক। কেন্দ্রীয় সেস প্রত্যাহারের জন্য কেন্দ্রকেও অনুরোধ জানান।

 

 

  অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকলের পরও কোভিড জয়ী ৫৪-র দুধ ব্যবসায়ী, শহরকে দিলেন এক সমুদ্র আত্মবিশ্বাস

কোভিড রোগী ফেরালেই লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতালগুলিকে হুঁশিয়ারি রাজ্য়ের

 কলকাতায় একদিনে চিহ্নিত প্রায় ২০০ বাড়ি, কনটেইনমেন্ট জোন বৃদ্ধির কারণ বললেন মুখ্যসচিব

করোনা আক্রান্ত নিজাম প্যালেসের এক সিবিআই আধিকারিক, স্যানিটাইজ করা হল পুরো অফিস

করোনা আবহে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থের প্রাক্তন স্ত্রী-শাশুড়ির দেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

দেহ রাখার জায়গা না থাকায় ডিপ ফ্রিজ বসছে মেডিকেলের মর্গে, মৃতদেহ 'ম্যানেজমেন্ট'-এ নিয়োগ অ্যাসি