এমনিতেই করোনাকে শায়েস্তা করতে গিয়েই জেরবার রাজ্য়। তার উপর কন্টটেইন্ট জোন ছাড়া অন্য এলাকায় লকডাউনের সিদ্ধান্তও এখন শুধু আর রাজ্য নিতে পারবে না। কেন্দ্রের সঙ্গে বসে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর এবার করোনা বধ করার আরও এক অস্ত্রের সরবারহেও পড়ল কোপ। আর বিনামূল্যে কোভিড নির্ধারক আরটিপিসিআর  কিট দেবে না স্পষ্ট জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

আরও পড়ুুন, করোনা নিয়ে মৃত্যুর ৪৮ ঘন্টা পরেও দেহ ভেন্টিলেটরে, চড়া বিলের লোভ কিনা জানতে তদন্ত

দেশের শীর্ষ স্বাস্থ্য সংস্থা আইসিএমআরের তরফে রাজ্যকে জানানো হয়েছে, করোনা সংক্রমিত ব্যক্তির লালারস পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কিট ও ভিটিএম খোলাবাজার থেকেই স্বাস্থ্য দপ্তরকে কিনতে হবে। যার ফলে শুধু করোনা কিট কিনতেই রাজ্যের কোষাগার থেকে দিনে বেরিয়ে যাবে প্রায় আট লক্ষ টাকা। উপরন্তু রয়েছে লালারস সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে নিয়ে যাওয়ার  ভিটিএম অর্থাৎ ভাইরাল ট্রান্সপোর্ট মিডিয়াম কেনার খরচ।আইসিএমআরের ওই বার্তা দিন সম্প্রতি আসে রাজ্য স্বাস্থ্য-সচিবের কাছে। সেখানে জানানো হয়েছে, ১ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই আরটিপিসিআর কিট এবং লালারস সংরক্ষণের ভিটিএম রাজ্যকে কিনে নিতে হবে।

আরও পড়ুন, অনুমতি দেয়নি রাজ্য, 'বন্দে ভারত প্রকল্প'-র সূচিতে এবারও নেই কলকাতা

রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. অজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন,  'আইসিএমআরের অবস্থান জানার পর স্বাস্থ্য দপ্তর জরুরি ভিত্তিতে আরটিপিসিআর কিট ও ভিটিএম   কিনেছে।' স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, অন্তত দেড় মাসের রসদ জোগাড় হয়েছে। আরও মজুতের প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরও জানান 'না দিলে কিনতেই হবে। পরীক্ষা তো বন্ধ থাকবে না। তবে আগামী দিনে খরচ অনেকটাই বেড়ে গেল।' শুধু কিট বা ভিটিএম নয়। ল্যাবরেটরিতে করোনা পরীক্ষার আনুষঙ্গিক বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র, যেমন সিপলার বা হাই সেনসিটিভ স্পেক্টমেট্রিকও এখন আইসিএমআর অনুমোদিত ভেন্ডার বা সরবরাহকারীর থেকে কিনতে হবে। সব মিলিয়ে করোনা পরীক্ষার খরচ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এটা ভেবেই দুশ্চিন্তায় রাজ্য প্রশাসন ।

 

        

 

কোভিড রোগী ভর্তিতে ৫০ হাজার টাকার বেশি নেওয়া যাবে না, নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্যের

ভয় নেই করোনায়, মেডিক্য়ালের ৪ তলার কার্নিশে পা দোলাচ্ছে রোগী

ভুয়ো টেস্টের ফাঁদে পড়ে করোনায় মৃত্যু এক ব্য়াক্তির, গ্রেফতার প্রতারণা চক্রের ৩ জন

করোনায় ফের ১ এসবিআই কর্মীর মৃত্য়ু, মৃতের পরিবারকে চাকরি দেওযার দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীরা