করোনা পরিস্থিতিতে  শ্মশানভূমি ঘিরে যাঁদের  জীবিকা, তাঁদের দৈনন্দিন আয়ে ফেলেছে বড়সড় প্রভাব। শহর যখন কাঁপছে  করোনা আতঙ্কে ,তখন অপরদিকে শহরের সব মহাশ্মশানঘাটে আচমকা কমে গিয়েছে মৃত্যুর স্পর্শ। যার জেরে মৃতদেহের সংখ্যার সঙ্গে যাদের দৈনন্দিন আয় জড়িয়ে থাকে, তাদের রোজগারে পড়েছে বড়সড় প্রভাব। 

আরও পড়ুন, করোনার থাবা এবার যাদবপুরের কেপিসি মেডিকেলে, উপসর্গ মিলল প্রসূতি বিভাগের ৩ রোগীর শরীরে

কেওড়াতলা শ্মশানের মূল গেটে ঢোকার মুখে গার্ডরেল বসিয়ে দিয়েছে পুলিশ। দেওয়ালে নোটিসে লেখা, একটি মৃতদেহের সঙ্গে চারজনের বেশি ঢোকা নিষেধ। উপস্থিত সেখানে কর্মী জানিয়েছেন, লকডাউন ঘোষণার কয়েক দিন পর থেকেই মৃতদেহ কম আসছে। আগে  প্রতি দিন ৬০ থেকে ৭০টা বডি আসত। এখন ২৫ থেকে ৩০এর বেশি হচ্ছে না।'

আরও পড়ুন, পলকেই অ্য়াকাউন্ট ফাঁকা করতে পারে প্রতারকরা, গ্রাহকদের সতর্ক করল এসবিআই

 

 কেওড়াতলা থেকে নিমতলা, সিরিটি থেকে গড়িয়া শ্মশান- সর্বত্রই এই একই চিত্র। নিমতলায় দৈনিক মৃতদেহ আসার সংখ্যা কেওড়াতলার থেকে বেশি। এমনি সময় বাইরে শববাহী গাড়ির ভিড় লেগে থাকে। শীতকালে জায়গা দেওয়া যায় না। এক সিকিউরিটি অফিসার জানালেন, 'প্রতিদিন গড়ে একশোর উপরে মৃতদেহ আসত। এমনকি দেড়শোও হয়ে যায়। বিশেষত শীতকালে। কিন্তু এখন ৪০ থেকে ৫০টির বেশি মৃতদেহ আসছে না।' উল্লেখ্য়,  করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্য়ু হলে কোনও দেহই সাধারণ শ্মশানে আনার অনুমতি নেই।

 

রাজ্য়ে করোনা আক্রান্তের অর্ধেকের বেশি কলকাতার,৭০০ থেকে একদিনে ৭৫৪

করোনার থাবায় বন্ধ বাঘাযতীনের এক নার্সিংহোম, স্যানিটাইজেশনে বাঘাযতীন হাসপাতাল

শুধু কলকাতাতেই করোনা আক্রান্ত ৭০০, মহানগরকে ঘিরে ঘুম ছুটছে রাজ্য়বাসীর

করোনা উপসর্গ সহ মিজোরামের বাসিন্দার মৃত্য়ু হল কলকাতায়, ক্যানসারের জন্য় তিনি ছিলেন চিকিৎসাধীন

রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর হারে দেশের শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, বলছে কেন্দ্রের টিম

রোগী ফেলে পালাতে পারল না অ্যাম্বুল্যান্স, পিপিই পরা স্বাস্থ্য়কর্মীদেরকে তীব্র প্রতিবাদ নাকতলাবাসীর