তবলিগ জামাতের কাজে যোগ দিয়ে ফেরা ছেলে এখন রয়েছেন রাজারহাটের কোয়রান্টিন সেন্টারে। এর মধ্যেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হল তাঁর মায়ের। কিন্তু চেষ্টা করেও মাকে শেষ বারের মতো দেখতে পেলেন না ছেলে। হাজির হতে পারলেন না মায়ের শেষযাত্রায়।

আরও পড়ুন, করোনা-যুদ্ধে অভয়বাণী, বেলগাছিয়া বস্তিবাসীর হালহকিকত নিতে উপস্থিত স্বাস্থ্য়কর্মীরা

তপসিয়ার বাসিন্দা, মহম্মদ ইশতিয়াক তবলিগ জামাতের কাজে এক মাস ধরে বাঁকুড়ায় ছিলেন। গত ১ এপ্রিল পুলিশ তাঁকে রাজারহাটের কোয়রান্টিন সেন্টারে ভর্তি করে। এদিকে গত রবিবার রাতে তাঁর মা হাজরা খাতুন হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তিনি মারা যান। গভীর রাতে ফোনে মায়ের মৃত্যুসংবাদ পান ইশতিয়াক। ইশতিয়াক জানিয়েছেন, 'মাকে শেষ দেখা দেখতে এবং মরদেহের সামনে নমাজ পড়তে চেয়ে হজ হাউস কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু সব চেষ্টাই বিফলে গেল।' ইশতিয়াক আরও জানান, হজ হাউসের অনুমতি পেয়ে সোমবার দুপুরে তাঁর বাড়ি ফেরার জন্য গাড়ি পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিনি জানতে পারেন যে, স্বাস্থ্য দফতর থেকে বাড়ি যাওয়ার অনুমতি মেলেনি। রাজ্য হজ কমিটির মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক মহম্মদ নকি বলেন, 'ইশতিয়াক যাতে মাকে শেষ দেখা দেখতে পান, সে জন্য চেষ্টা আমরা করেছিলাম। কিন্তু আইনি জটিলতায় সেটা সম্ভব হয়নি।' 
 
আরও পড়ুন, ঝড়-বৃষ্টিতে ফুটপাতে রাত কাটছে স্বস্ত্রীক স্বাস্থ্যকর্মীর, সংক্রমণের ভয়ে তাড়িয়ে দিল বাড়িওয়ালা

অপরদিকে, নিউ টাউনের মদিনাতুল হুজ্জাজের ওই কোয়রান্টিন সেন্টারে এখন তবলিগ জামাতের ৩০৩ জন সদস্য রয়েছেন। এঁদের মধ্যে বিদেশি ১০৮ জন, কলকাতার ৮৬ জন। বাকিরা মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি এবং এ রাজ্যের বাসিন্দা। হজ কমিটির আধিকারিক নকি বলেন, 'করোনা সন্দেহে এখানের ৭ জনের নমুনা এমআর বাঙ্গুরে  পাঠানো হয়েছিল। প্রত্যেকের পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। ২৮ দিনের পর ওঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে।'





এনআরএসে যুবকের মৃত্য়ুর জের, করোনা আক্রান্ত হলেন এবার এক নার্স

করোনার কোপে বন্ধ কলকাতার আস্ত একটি হাসপাতাল, ১০০ ছাড়িয়ে চিকিৎসক-নার্স সহ কোয়ারেন্টাইনে
 
পার্ক সার্কাসের বেসরকারি হাসপাতালে প্রৌঢ়ের মৃত্য়ু, করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসতেই অভিযোগ তুলল পরিবার