রাজ্যে শুভেন্দুর তৃণমূলে থাকা নিয়ে টানটান উত্তেজনা। এমনই  এক মুহূর্তে টানা ২ ঘন্টার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হল শুভেন্দু অধিকারী এবং অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের মধ্যে। তবে কি চেষ্টা সফল হল, গলল কি বরফ শেষ অবধি। অবশ্য বৈঠকে বরফ গলেছে বলে আশা প্রকাশ করেন দলের শীর্ষ নের্তৃত্ব তথা সৌগত রায়। কিন্তু এখনও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি শুভেন্দু অধিকারী। 

 

আরও পড়ুন, 'ক্ষমা চাইতে হবে', 'গুন্ডা' মন্তব্যের জেরে অভিষেককে আইনি নোটিশ দিলীপের

 

 একসঙ্গে দল চালানোর আহ্বান শুভেন্দুকে

বৈঠকের মাঝে অভিষেকের ফোন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বনদ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হয়  শুভেন্দু অধিকারীর। এবং অভিষেকের তরফে আন্তরিকভাবে একসঙ্গে দল চালানো এবং কাজের আহ্বানও জানানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর তরফেও একসঙ্গে সকলে দল চালানোর কথা জানানো হয়। প্রশ্ন উঠেছে, এই বৈঠকেই কি বহু দিনের জমা বরফ গলে জল হল, রাতারাতি মোড় ঘুরে গেল রাজ্য-রাজনীতির, সময়ই তা বলবে। যদিও পজিটিভ কথা শোনান শীর্ষ নের্তৃত্ব তথা সৌগত রায়। যে সমস্ত বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারীর ক্ষোভ রয়েছে সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে এবং বৈঠকে বরফ গলেছে বলে আশা প্রকাশ করেন সৌগত রায়। 

আরও পড়ুন, আজ অক্সফোর্ডের বিতর্কসভায় অংশ নেবেন মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাব দেবেন মমতা

  ৫ টি জেলায় পার্থী বাছায়ে অভিষেক বা পিকে  হস্তক্ষেপ করবেন না  


অপরদিকে, মঙ্গলবার গভীর রাত শুভেন্দুর সঙ্গে যোগাযোগ করার সময় চেষ্টা করেও সাড়া মেলেনি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, শুভেন্দু যে ৫ টি জেলার পর্যবেক্ষক ছিলেন, সেগুলির পার্থী বাছাই নিয়ে অভিষেক বা প্রশান্ত কিশোর কোনও রকম হস্তক্ষেপ করবেন না। জানা গিয়েছে, বৈঠকের শুরুতেই অভিষেক, শুভেন্দুর হাত জড়িয়ে বলেছেন, সকলে মিলে একসঙ্গে দল চালানো হোক। দলের ভালর জন্য ২০২১ এর নির্বাচনের আগে এখন এটাই করা উচিত। তাঁরা সকলেই দলকে ভালবাসেন। 'মা-মাটি-মানুষের' দল তৃণমূলের জয়টাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।