সোমবার ৩১ অগাস্ট রাজ্যে পূর্ণ লকডাউনের দিনে বন্ধ থাকবে রেল চলাচল।  রাজ্যে  বন্ধ থাকবে সমস্ত স্পেশাল ট্রেন। শুধু মাত্র স্টাফ স্পেশাল চলাচল করবে।  স্টাফ ছাড়া আর কারও ওঠার অনুমতি নেই। সাপ্তাহিক লকডাউনে স্পেশাল ট্রেন না চালানোর সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল ভারতীয় রেল। 

 

 

আরও দেখুন, ধেয়ে আসছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রবল বর্ষণে ভাসতে চলেছে এই জেলাগুলি


সোমবার পশ্চিমবঙ্গে সাপ্তাহিক লকডাউন। রেল সূত্রে খবর, সোমবার  কোনও ট্রেন রাজ্য থেকে ছাড়বে না। পাশাপাশি ভিন রাজ্য থেকে ট্রেন এখানে এসে পৌছবে না। ফলে হাওড়া, শিয়ালদহ, খড়গপুর  শিলিগুড়ি সহ একাধিক ডিভিশনে ট্রেন বাতিলের কথা আগাম জানিয়েছে পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলে। যে সমস্ত ট্রেন আগামিকাল বাতিল থাকছে তার মধ্যে রয়েছে, আপ ও ডাউন হাওড়া-পাটনা এক্সপ্রেস, হাওড়া-নিউ দিল্লি এসি এক্সপ্রেস, শিয়ালদহ-নিউ আলিপুরদুয়ার স্পেশাল ট্রেন। দক্ষিণ-পূর্ব রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, সোমবার শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর এবং ভুবনেশ্বর-শিয়ালদহ দুরন্ত এক্সপ্রেস বাতিল থাকছে। 

আরও পড়ুন, অবশেষে কি খুলছে কলকাতা মেট্রোর দরজা, কি ছবি হতে চলেছে আনলক-৪-এ


অপরদিকে, লকডাউনের দিন বাতিল থাকছে হাওড়া-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন। যশোবন্তপুর-হাওড়া দুরন্ত এক্সপ্রেস ছাড়বে না। আগামিকাল হাওড়া থেকে যশোবন্তপুর স্পেশাল ট্রেন ছেড়ে যাবে না। এছাড়া বাতিল শালিমার-পাটনা দুরন্ত স্পেশাল এক্সপ্রেস। এছাড়া আরও বেশ কিছু ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে থাকছে সেকেন্দ্রাবাদ-হাওড়া স্পেশাল। এই ট্রেন হাওড়ার বদলে ভুবনেশ্বর আসবে। ভুবনেশ্বর থেকে নয়াদিল্লি স্পেশাল ও এসি এক্সপ্রেসের কোনও স্টপেজ থাকছে না এরাজ্যে। লকডাউন শেষ হবার পরে হাওড়া-মুম্বই সি এস এম টি স্পেশাল ট্রেন বাতিল থাকবে। হাওড়া-যোধপুর স্পেশাল ট্রেন বন্ধ থাকবে।  উল্লেখ্য, যাত্রীদেরকে আগাম ট্রেন বাতিল সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরেও কোনও যাত্রী স্টেশনে এসে পৌছলে তার দায় রেল নেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে।

 

    

 

কোভিড রোগী ভর্তিতে ৫০ হাজার টাকার বেশি নেওয়া যাবে না, নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্যের

ভয় নেই করোনায়, মেডিক্য়ালের ৪ তলার কার্নিশে পা দোলাচ্ছে রোগী

ভুয়ো টেস্টের ফাঁদে পড়ে করোনায় মৃত্যু এক ব্য়াক্তির, গ্রেফতার প্রতারণা চক্রের ৩ জন

করোনায় ফের ১ এসবিআই কর্মীর মৃত্য়ু, মৃতের পরিবারকে চাকরি দেওযার দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীরা