সারা দিনের খাবার ও পানীয় থেকে খাদ্যের খুব ছোট কণা আপনার দাঁতের মধ্যে জমা হয়, যার কারণে দাঁতে ব্যাকটিরিয়া বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই ব্যাকটিরিয়া থেকেই প্লাক নামক একটি পুরু স্তর তৈরি হয় দাঁতে। এই স্তর আপনার দাঁতে ক্ষয় সৃষ্টি করে। দাঁত থেকে এই স্তর বা প্লাক দূর করা খুব প্রয়োজন। যা প্রতিদিনের ব্রাশে পরিষ্কার বা দূর করা সম্ভব নয়। এ ছাড়া দাঁতে জমা এই স্তরগুলি দাঁতের গোড়া ও টিস্যুগুলিকে দুর্বল করে তোলে। এর ফলে মুখের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।  জেনে নেওয়া যাক অব্যর্থ ৫ টোটকা, যা দাঁতে জমে থাকা প্লাক দূর করবে সহজেই।

 

 

 যদি আপনি দাঁত পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যবান রাখতে চান তবে প্রতিদিন আপনার দাঁত ব্রাশ করা খুব জরুরি। প্রতিদিন সকালে এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দুবার দাঁত ব্রাশ করতে ভুলবেন না। দাঁতে জমা প্লাক বা হলদেটে ছোপ সরিয়ে ফেলতে, ৮ থেকে ১০ ফোঁটা সরষের তেলের মধ্যে আধা চা চামচ বেকিং সোডা এবং আধা চা-চামচ লবণ দিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি দিয়ে বিশেষ করে দাঁতের পেছন দিক পরিষ্কার করুন। এটি ৩ দিনের আপনার দাঁতে জমে থাকা প্লাক কমিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতে শুরু করবে। ব্রাশ পৌঁছতে পারে না সেই স্থানগুলি পরিষ্কার রাখতে দাঁত ফ্লস করাও খুব জরুরি। এর জন্য, আপনি একটি ফ্লস থ্রেড নিয়ে দাঁতের মধ্যবর্তী অংশগুলি পরিষ্কার করতে পারেন। 

আরও পড়ুন- এই ৫ খাদ্য স্বাস্থ্যের জন্য কোনও বিষের চেয়ে কম নয়, তালিকায় রয়েছে আপনার প্রিয় খাবারটিও

দাঁতে জমে থাকা এই প্লাকগুলি দাঁতের পেছনের অংশেই মোটা স্তর তৈরি করে। এই সমস্যা এড়াতে এমন টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে যাতে ফ্লোরাইড রয়েছে। এই ধরণের পেস্ট আপনার দাঁতগুলি এনামেলকে শক্তিশালী করে তোলে এবং আপনার দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া রোগ দূর করে। দাঁতের পাশাপাশি জিহ্বা পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। জন্য ব্রাশ করার সময় ব্রাশ দিয়ে আপনার জিহ্বা ভাল করে পরিষ্কার করুন। জিহ্বা পরিষ্কার করার মাধ্যমে আপনার মুখ থেকে আরও বেশি করে ব্যাকটিরিয়া বেরিয়ে যায়। পাশাপাশি খাওয়ার পরে, ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পরে দাঁত ব্রাশ করা যেতে পারে। খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে দাঁত ব্রাশ করবেন না।