গরমের কারণে আম বেশি পাকবে বলে বাইরে রেখে দেন। এমতাবস্থায় অনেকের মনেই একটা বিভ্রান্তি কাজ করে যে, আম ফ্রিজে রাখা বা ফ্রিজের বাইরে কোথায় রাখা ঠিক হবে। 

যারা আম খেতে শৌখিন তারা গ্রীষ্মকালে প্রচুর আম খান। সবার বাড়িতেই আম কম-বেশি থাকবেই। গ্রীষ্ম এলেই মানুষ আমের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। কেউ কেউ প্রচুর পরিমাণে আম কিনে রেখে দেন, তারপর ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন। একই সঙ্গে গরমের কারণে আম বেশি পাকবে বলে বাইরে রেখে দেন। এমতাবস্থায় অনেকের মনেই একটা বিভ্রান্তি কাজ করে যে, আম ফ্রিজে রাখা বা ফ্রিজের বাইরে কোথায় রাখা ঠিক হবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এটা জেনে রাখা প্রয়োজন যে, ফ্রিজে আম রাখা উচিত নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি পুষ্টির মান এবং স্বাস্থ্য উভয়কেই প্রভাবিত করে। পুষ্টিবিদদের মতে, আম ফ্রিজে না রাখাই ভালো। জেনে নিন আম সংরক্ষণের সবচেয়ে ভালো উপায় কী।

আম কিভাবে সংরক্ষণ করবেন?

যদি কাঁচা আম বাড়িতে থাকে তবে সেগুলি কখনই ফ্রিজে রাখবেন না। ফ্রিজে রাখলে এগুলো ভালো রান্না হবে না এবং স্বাদও নষ্ট হয়ে যায়। আম সব সময় ঘরের তাপমাত্রায় রেখে রান্না করা উচিত। এতেই আমগুলো আরও মিষ্টি ও নরম হবে। আম পুরোপুরি পেকে গেলে খাওয়ার আগে কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা করার জন্য ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন।

পাকা আম ৫ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। যদি দ্রুত আম রান্না করতে চান, তবে এটি একটি কাগজের ব্যাগে ঘরের তাপমাত্রায় রেখে দিন। এতে আম দ্রুত সিদ্ধ হবে। যদি আম সংরক্ষণ করতে চান, তাহলে খোসা ছাড়িয়ে কেটে একটি এয়ার টাইট পাত্রে রাখুন। এগুলিকে ৬ মাস পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন।

আরও পড়ুন- গরমে ঠান্ডা এই পানীয় পান করলে ঠাণ্ডা রাখবে শরীর, জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন এই পানীয়

আরও পড়ুন- গরমের তাপেও শরীর ঠাণ্ডা রাখতে ছাতু খান, এই ৫ উপায়ে প্রতিদিন নানা স্বাদে রাখুন ডায়েটে

অনেক সময় ফ্রিজে জায়গা না থাকায় অন্যান্য ফল ও সবজির সঙ্গে আম রাখা হয়, যা একেবারে ভুল। অন্যান্য ফল ও সবজির সঙ্গে আম রাখলে স্বাদেও নষ্ট হয়ে যায়। আম ফ্রিজের বাইরে রাখুন আম এবং অন্যান্য ফল শুধুমাত্র ঘরের তাপমাত্রায় রাখা ভালো। সাধারণ তাপমাত্রায় ফ্রিজ থেকে আম রাখলে এতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সক্রিয় থাকে এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আম ছাড়াও অন্যান্য গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফলও ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। এই ফলগুলোর ঠান্ডায় পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।