Lifestyle Tips: চাকরি সামলে রোজ রান্না করা যুদ্ধের মতো। কিন্তু ৫টি বুদ্ধিদীপ্ত পন্থা মানলে রান্নার ঝক্কি অনেক কমবে। সাপ্তাহিক মিল প্ল্যান, কাটাকাটি গুছিয়ে রাখা ও স্মার্ট রান্নার সরঞ্জাম ব্যবহারে সময় বাঁচবে অর্ধেক। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।
Lifestyle Tips: সকালে অফিসের তাড়া, তারপর বাড়ি ফিরে রান্নাঘরে ঢোকা, এই রুটিনে হাঁপিয়ে ওঠেন অনেক কর্মজীবী মহিলাই। রোজ কী রান্না হবে ভাবতেই অর্ধেক এনার্জি শেষ। কিন্তু একটু বুদ্ধি করে চললে রান্নার এই চাপ অনেকটাই কমানো যায়। রইল ৫টি সহজ কৌশল যা ব্যস্ত সময়ে আপনার কাজে আসবে।
অফিস করে শটকার্টে শিখুন রান্নার ট্রিকস:-
১. রবিবারেই সারা সপ্তাহের প্ল্যান: রোজ সকালে কী রান্না হবে ভাববেন না। রবিবার ছুটির দিনে সোম থেকে শুক্র কী কী মেনু হবে তার একটা লিস্ট বানিয়ে ফেলুন। সেই অনুযায়ী বাজার ও কাটাকাটির পরিকল্পনা করুন। এতে রোজকার মাথা ব্যথা কমবে।
২. কাটাকাটি ও মশলা গুছিয়ে রাখুন: রবিবার ২ ঘণ্টা সময় বের করে পেঁয়াজ, আদা-রসুন বাটা, টমেটো পিউরি বানিয়ে কৌটোয় ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। শাক-সবজি কেটে ধুয়ে এয়ার টাইট কন্টেনারে রাখলে সপ্তাহে ৩-৪ দিন অনায়াসে চলে যাবে। সকালে শুধু ফ্রিজ থেকে বের করে রান্না।
৩. ওয়ান-পট মিলকে বন্ধু বানান: রোজ ভাত, ডাল, তরকারি, ভাজা, আলাদা করে করার দরকার নেই। পুষ্টিকর ওয়ান-পট রেসিপি ট্রাই করুন। যেমন - ডালিয়া খিচুড়ি, ভেজ পোলাও, সয়াবিন বিরিয়ানি, ওটস খিচুড়ি বা ডিম-ভাত ফ্রায়েড রাইস। এক পদেই পেট ভরবে, সময়ও বাঁচবে।
৪. স্মার্ট কিচেন গ্যাজেট ব্যবহার করুন: প্রেশার কুকার, ইলেকট্রিক চপার, রাইস কুকার এই তিনটে জিনিস থাকলে আপনার ৫০% কাজ কমে যাবে। ডাল সেদ্ধ থেকে ভাত রান্না, সবজি কাটা, সবই হবে চোখের নিমেষে। রান্না করতে করতে অন্য কাজও সেরে নিতে পারবেন।
৫. রাতের রান্না সকালের টিফিন: রাতে রুটির সঙ্গে যে তরকারি করলেন, তার খানিকটা বেশি করে রাখুন। সকালে সেটাই পরোটার পুর বা টিফিনের সাইড ডিশ হয়ে যাবে। ভাত বেশি হলে সকালে ফ্রায়েড রাইস। এতে খাবার নষ্টও হবে না, আবার নতুন করে রান্নার চাপও থাকবে না।


