অনেক সময় সবকিছু ঠিক থাকলেও বাড়িতে অশান্তি, রোগ-ভোগ লেগেই থাকে। বাস্তুশাস্ত্র বলছে, এর কারণ লুকিয়ে থাকতে পারে আপনার রান্নাঘরেই। রান্নাঘরে থাকা মাত্র ৩টি সাধারণ জিনিস সঠিক নিয়মে ব্যবহার করলেই বাড়ি থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর হয়ে পজিটিভিটি ফিরে আসে।
বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, রান্নাঘরের সঙ্গে বাড়ির সুখ-সমৃদ্ধি ও আর্থিক অবস্থার সরাসরি যোগ রয়েছে। রান্নাঘরে বাস্তুদোষ থাকলে তার প্রভাব পড়ে পুরো পরিবারের ওপর। তবে চিন্তা নেই, কোনও ভাঙচুর নয়, রান্নাঘরে থাকা ৩টি জিনিস দিয়েই আপনি বাড়ির নেগেটিভিটি দূর করতে পারেন।
১. লবণ - নেগেটিভিটির যম
বাস্তু মতে লবণ অত্যন্ত শক্তিশালী নেগেটিভ এনার্জি শোষক।
কী করবেন: একটি কাচের বাটিতে খানিকটা সামুদ্রিক লবণ বা রক সল্ট ভরে রান্নাঘরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে রেখে দিন। প্রতি শুক্রবার এই লবণ বদলে ফেলুন। এছাড়া সপ্তাহে একদিন ঘর মোছার জলে এক চিমটে লবণ মিশিয়ে নিন। এতে বাড়ির সমস্ত নেগেটিভ এনার্জি দূর হয় এবং রোগ-ব্যাধি কমে বলে বিশ্বাস করা হয়। খেয়াল রাখবেন, লবণ কখনো স্টিলের পাত্রে রাখবেন না।
২. হলুদ - শুভ শক্তির প্রতীক
হলুদকে বাস্তু ও জ্যোতিষশাস্ত্রে অত্যন্ত শুভ মনে করা হয়। এটি বৃহস্পতি গ্রহের প্রতীক, যা সুখ-সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।
কী করবেন: রান্নাঘরে হলুদের কৌটো কখনো খালি রাখবেন না। রোজ সকালে রান্না শুরু করার আগে গ্যাস বা উনুনের পাশে সামান্য হলুদ-জলের ছিটা দিন। এতে মা অন্নপূর্ণা প্রসন্ন হন এবং আর্থিক অনটন দূর হয়। একটি ছোট পুটলিতে ৫টি গোটা হলুদ বেঁধে রান্নাঘরের উত্তর-পূর্ব কোণে ঝুলিয়ে রাখলে পরিবারে শান্তি বজায় থাকে।
৩. কর্পূর ও লবঙ্গ - সঙ্গে সঙ্গে ফল
বাড়িতে যদি প্রায়ই ঝগড়া-অশান্তি হয়, তবে এই টোটকাটি অব্যর্থ।
কী করবেন: সন্ধ্যেবেলা রান্নাঘরে একটি স্টিলের বাটিতে ২টি কর্পূর ও ২টি লবঙ্গ একসঙ্গে পুড়িয়ে দিন। এর ধোঁয়া পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়তে দিন। কর্পূরের গন্ধ বাস্তুদোষ নাশ করে এবং লবঙ্গের ধোঁয়া নেগেটিভ শক্তিকে বাড়ির বাইরে বের করে দেয়। এটি করলে বাড়ির পরিবেশ সঙ্গে সঙ্গে হালকা ও পজিটিভ হয়ে ওঠে।
এই ছোট ছোট বাস্তু নিয়মগুলি মেনে চললে দেখবেন, বাড়িতে শান্তি ফিরেছে এবং অকারণে হওয়া অশান্তি অনেক কমে গেছে।
