এই সব লক্ষণ দেখলে একেবারেই অবহেলা করবেন না! লিভার ক্যান্সার হতে পারে
এই সব লক্ষণ দেখলে একেবারেই অবহেলা করবেন না! লিভার ক্যান্সার হতে পারে

লিভার ক্যান্সার; শরীর যে লক্ষণগুলো দেখায়
লিভার ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান, জন্ডিস, স্থূলতা, ডায়াবেটিস এবং কিছু ওষুধ লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
অল্প মদ্যপান বা মদ্যপান না করলেও অনেকের মধ্যে এই রোগ দেখা যাচ্ছে
আগে লিভার ক্যান্সারকে মদ্যপায়ীদের রোগ মনে করা হলেও, এখন পরিস্থিতি বদলেছে। জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস এবং মেটাবলিক স্বাস্থ্য লিভারের ওপর প্রভাব ফেলে, তাই অল্প বা মদ্যপান করেন না এমন মানুষেরও ঝুঁকি থাকে।
শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।
শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। অকারণে ত্বক চুলকানোও লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ। মলের রঙ পরিবর্তন এবং প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হওয়াও এর লক্ষণ।
শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে
শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। অকারণে ত্বক চুলকানোও লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ। মলের রঙ পরিবর্তন এবং প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হওয়াও এর লক্ষণ।
অতিরিক্ত ক্লান্তি লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।
অতিরিক্ত ক্লান্তি লিভার ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া, অকারণে ওজন কমে যাওয়া এবং ঘন ঘন বমি হওয়াও এই রোগের সঙ্গে যুক্ত। খাওয়ার পরেও বা না খেলেও বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে।
সফট ড্রিঙ্কস ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের অতিরিক্ত চিনি লিভারে ফ্যাট জমায়।
সফট ড্রিঙ্কস ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের অতিরিক্ত চিনি লিভারে ফ্যাট জমায়, যা নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD) এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।
পালং শাক, ব্রকোলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সালফোরাফেন থাকে।
পালং শাক, ব্রকোলির মতো সবজিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সালফোরাফেন থাকে, যা লিভারকে ডিটক্স করতে সাহায্য করে। এটি কোষের ক্ষতি এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
সাদা পাউরুটি, পাস্তার মতো খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়।
সাদা পাউরুটি, পাস্তার মতো প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়, যা লিভারে ফ্যাট জমায়। এর বদলে ওটস, ব্রাউন রাইসের মতো শস্য খান, যা লিভারের জন্য ভালো।

