করোা আবহেই ইংল্যান্ডে শুরু হয়েছে ফুটবল ও ক্রিকেট সুরক্ষার জন্য দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলা হচ্ছে সব ম্যাচ অক্টোবর থেকে ইংল্যান্ডে মাঠে ঢোকার অনুমতি পাবে দর্শকরা তার আগে আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হবে পাইলট প্রোজেক্ট  

ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলির মতই ইংল্যান্ডেও ফিরেছে ফুটবল। সাফল্যের সঙ্গে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ২০১৯-২০ মরসুমের বাকি ম্যাচগুলি আয়োজন করেছে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ ও ব্রিটিশ সরকার। সব ম্যাচই আয়োজিত হচ্ছে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। বাধ্য হয়ে ঘরে বসেই ইপিএলের সব উত্তেজক ম্যাচগুলির মজা উপভোগ করতে হয়েছে ফুটবল প্রেমিদের। তবে আর বেশিদিন প্রিয় তারকাদের খেলা ঘরে বসে উপভোগ করতে হবে না। মাঠে গিয়েই খেলা দেখতে পারবেন দর্শকরা। ইংল্যান্ডের ক্রীড়া প্রেমিদের জন্য খুশির খবর শোনালেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলকভাবে স্টেডিয়ামে দর্শকদের প্রবেশ করার অনুমতি দিচ্ছে ব্রিটিশ প্রশাসন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃবেন স্টোকসকেই বিশ্বের এক নম্বর অল রাউন্ডার বললেন আকাশ চোপড়া

ইংল্যান্ডে সব ধরনের খেলায় দর্শক প্রবেশ করতে পারবে আগামী অক্টোবর মাস থেকে সেই কথা আগেই জানিয়েছেন বরিস জনসন। তবুও ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে আগামী সপ্তাহ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে মাঠে অল্প সংখ্যক দর্শক প্রবেশ। শুরুটা হচ্ছে ক্রিকেটে দিয়েই। ২৬-২৭ জুলাই ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট মরশুম শুরু হচ্ছে। সেখানে ম্যাচ দেখার অনুমতি পাবেন দর্শকরা। তবে তা হাতে গোনা। এরপর বিশ্ব স্নুকার চ্যাম্পিয়নশিপ, ঘোড়দৌড়ের মতো কিছু ইভেন্টেও দর্শকদের ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে। কিন্তু ইংল্যান্ডের সব থেকে জনপ্রিয় খেলা ফুটবলে এখনই দর্শক ঢোকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ১৬ বছরের শূন্যতা কাটিয়ে ইপিএলে প্রত্যাবর্তন লিডস ইউনাইটেড

আরও পড়ুনঃমহম্মদ শামির মেয়ে যেন ছোট হাসিন,সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল মা ও মেয়ের নাচ

ফুটবল ছাড়া অন্যান্য খেলায় অল্প কিছু সংখ্যক স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার অনুমতি পেলেও, মেনে চলতে হবে একাধিক। মোট আসনের নির্দিষ্ট একটি শতাংশ অনুযায়ী দর্শক প্রবেশ করতে পারবে। দুই দর্শকের মধ্যে রাখতে হবে নির্দিষ্ট দূরত্ব। মাস্ক, থার্মাল স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক। কারও কোনও রকম অসুস্থতা থাকলে তাকে মাঠে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু এখনও ইংল্যান্ডের করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নয়। তার মধ্যে মাঠে দর্শক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে কিনা, তানিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।