East Bengal: অস্কার লিখেছেন, “আমি, আমার কর্মী এবং পরিবারকে হুমকি দিয়ে প্রচুর বার্তা পাঠানো হচ্ছে। সেখানে আমাদের খুনের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। সমালোচনা কিংবা মত পার্থক্যের বাইরে বিষয়টি চলে গেছে বিষয়টি। এটা স্পষ্ট হুমকি।"

East Bengal: ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচকে এরবার সরাসরি খুনের হমকি। ক্লাবের একাংশের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জন্যই কি রোষের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে (East Bengal)? ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনিতেই, একের পর এক অভিযোগ করে চলেছেন লাল হলুদের একমাত্র আইএসএল জয়ী কোচ। সোশ্যাল মিডিয়াতে কার্যত, কামান দেগেছেন তিনি। এবার তাঁর অভিযোগ, সেই সোশ্যাল মিডিয়াতেই তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে (East Bengal latest news)। বেশ কয়েকটি পোস্টের স্ক্রিনশট তুলে ধরে পোস্ট করেছেন অস্কার। সেইসঙ্গে, কলকাতা পুলিশ এবং ভারতে অবস্থিত স্পেনের দূতাবাসকে ট্যাগ করে বিষয়টি তাদেরও জানিয়েছেন।

অস্কার ব্রুজোর পরিবারকে খুনের হুমকি! কারা দিচ্ছে?

অস্কার লিখেছেন, “আমি, আমার কর্মী এবং পরিবারকে হুমকি দিয়ে প্রচুর বার্তা পাঠানো হচ্ছে। সেখানে আমাদের খুনের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। সমালোচনা কিংবা মত পার্থক্যের বাইরে বিষয়টি চলে গেছে বিষয়টি। এটা স্পষ্ট হুমকি। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কর্তারা সম্মিলিতভাবে আমাকে হেনস্থার পরিকল্পনা করেছেন। আমি ইতিমধ্যেই নিন্দা জানিয়েছি। প্রমাণ ছাড়া আমি এই বিষয়ে কারও নাম করব না। সব তথ্যপ্রমাণ নিজের কাছে রাখছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হবে। ফুটবল কোচ, তাঁর পরিবার এবং কর্মীদের জায়গাটা হুমকি দেওয়ার নয়।"

প্রসঙ্গত, অস্কারের সহকারী আদ্রিয়ানও এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে এই বিষয়টি জানিয়েছেন। গত দু-দিন ধরে তাঁকে লাগাতার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে খবর। তিনিও পুলিশ এবং দূতাবাসকে বিষয়টি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, শনিবার সকালে সরাসরি নাম ধরেই নিশানা করেছেন ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল জয়ী কোচ। আর সেই নামটি হল, লাল হলুদের সর্বময় কর্তা দেবব্রত সরকার তথা ময়দানের অতি পরিচিত নীতুদা। তারপরেই কি খুনের হুমকি আসতে শুরু করল?

কলকাতা পুলিশ এবং দূতাবাসকে জানালেন ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচ

কারণ, সেখানে ব্রুজো লেখেন, “পুরো বিষয়টার সঙ্গে নীতুদা জড়িত। আমি মনে করি, সমালোচনা ফুটবলের একটা অংশ। সেটা মেনে নিতে আমাদের কারও কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ, অজ্ঞাতপরিচয় বা সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট থেকে বারবার একই ধরনের প্রচার করা এবং একটি অভ্যন্তরীণ মতবিরোধকে অন্য ক্লাবের মধ্যে টেনে নিয়ে যাওয়ার যে অপচেষ্টা! এই বিষয়গুল তো পুরোপুরি আলাদা। বেশ কিছু বিষয় দেখে আমার মনে হয়েছে এবং তার ভিত্তিতেই আমার বিশ্বাস, এইসব নীতুদার নেতৃত্বাধীন ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। মূলত যিনি ক্লাব চালান, সেই নীতুদার কাছেই জানতে চাই যে, এই সবকিছুর সঙ্গে যুক্ত এমন কেউ কি আক্রমণগুলিকে উৎসাহ দিচ্ছেন বা কোনও জায়গা থেকে কি নির্দেশ আসছে? তিনি কি কোনওভাবে এর থেকে লাভবান হচ্ছেন?"

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।