Durand Cup 2026: স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। সুযোগ নষ্টের প্রদর্শনী এবং বার-পোস্টে ধাক্কা খাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল। তবে ম্যাচে লাল-হলুদ ব্রিগেডেরই দাপট ছিল। শেষপর্যন্ত টাইব্রেকারে জয় এল। নির্ধারিত সময়ে পেনাল্টি সেভ করে ।
Durand Cup 2026: স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল (Durand Cup 2026)। সুযোগ নষ্টের প্রদর্শনী এবং বার-পোস্টে ধাক্কা খাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল। তবে ম্যাচে লাল-হলুদ ব্রিগেডেরই দাপট ছিল। শেষপর্যন্ত টাইব্রেকারে জয় এল। নির্ধারিত সময়ে পেনাল্টি সেভ করে এবং টাইব্রেকারে প্রথম শট সেভ করে ইস্টবেঙ্গলের নায়ক গোলকিপার প্রভসুখন সিং গিল (Durand Cup 2026 points table)।
দিল্লির বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে রুদ্ধশ্বাস জয়!
ফের দলে বদল হাবাসের পরপর ম্যাচ খেলতে হচ্ছে। ফুটবলারদের ক্লান্তি, চোটের আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি বদল আনেন ইস্টবেঙ্গলের প্রধান কোচ অ্যান্টনিও লোপেজ হাবাস। বিশেষ করে রক্ষণে বড় বদল করা হয়। মাঝমাঠ, আক্রমণেও বদল আনা হয়। তিন মিনিটে জেসিন টি কে-র ক্রসে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন বিপীন সিং। ফলে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায় ইস্টবেঙ্গল। পনেরো মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে ড্যানিয়েল রামিরেজকে ফাউল করেন লালরিনলিয়ানা নামতে। ফ্রি-কিক নেন মহম্মদ বাসিম রশিদ। তাঁর শট বারে লেগে ফিরে আসে।
উনিশ মিনিটে জেসিনের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। তেত্রিশ মিনিটে পেনাল্টি পায় দিল্লি। বক্সের মধ্যে ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার রডরিগো আরাউয়ো ডা সিলভাকে ট্যাকল করেন সন্দীপ মান্ডি। পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি ভেঙ্কটেশ। শট নেন রডরিগো। সেই শট সেভ করে দেন গিল। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যভাবে। দ্বিতীয়ার্ধে ছন্নছাড়া ফুটবল প্রথমার্ধের শেষদিক থেকেই একের পর এক ভুল করে যাচ্ছিলেন সন্দীপ। দ্বিতীয়ার্ধেও ইস্টবেঙ্গলের এই তরুণ ডিফেন্ডার ভুল করতে থাকেন। তাঁর ট্যাকল, জায়গা নেওয়া, অনুমান ক্ষমতা, সতীর্থ আনোয়ার আলির সঙ্গে বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে ভুল হচ্ছিল। ইস্টবেঙ্গলের অন্য ফুটবলাররাও প্রচুর মিস পাস করছিলেন। সাতান্ন মিনিটে জোড়া পরিবর্তন করেন হাবাস। হার্দিক ভাটের বদলে মাঠে নামেন লালচুংনুঙ্গা। এডমুন্ড লালরিন্ডিকার বদলে মাঠে নামেন ক্রিস্টোফার জেমস ইকনমিডিস।
ডুরান্ড কাপ ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল
চৌষট্টি মিনিটে জেসিনের পরিবর্তে ডেভিড লালহ্লানসাঙ্গাকে মাঠে নামান হাবাস। চুয়াত্তর মিনিটে রশিদের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরের মিনিটেই সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ডেভিড। সাতাত্তর মিনিটে বিপীনের পরিবর্তে মাঠে নামেন রোহিত দানু এবং রামিরেজের পরিবর্তে মাঠে নামেন মহম্মদ আসিফ। কিন্তু এই পরিবর্তনে কোনও লাভ হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের খেলাও গোলশূন্যভাবে শেষ হয়। ফলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে প্রথম গোল করেন আনোয়ার। এরপর দিল্লির প্রথম শট সেভ করেন গিল। দ্বিতীয় শটে গোল করেন জিকসন সিং। দিল্লির হয়ে দ্বিতীয় শটে গোল করেন রডরিগো। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে তৃতীয় শটে গোল করেন লালচুংনুঙ্গা। দিল্লির হয়ে গোল করেন মিনা। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে চতুর্থ শটে গোল করেন ইকনমিডিস। শেষ শটে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করেন রশিদ। তাঁর গোলেই জয় এল।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
