লকডাউনের কারণে সুইৎজারল্যান্ডে পরিবারের সঙ্গে রয়েছেন রজার ফেডেরার সেখানে একটি পাহাড়ের উপর নির্জন জায়গায় থাকায় কোনও ভয় নেই তাদের কিন্তু মা-বাবার সঙ্গে দীর্ঘ তিনমাসেরও বেশি সময় ধরে দেখা হয়নি ফেডেরারের যার ফলে একটি পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে দুঃখও প্রকাশ করেছেন ফেডেক্স  

আগামী ৮ অগাস্ট শনিবার ৩৯ বছরে পা দেবেন টেনিস কিংবদন্তী রজার ফেডেরার। হাঁটুর অস্ত্রোপচারের কারণে চলতি মরসুমে যে আর টেনিস কোর্টে নামবেন না তিনি সেকথা আগেই জানিয়েছেন ফেডেক্স। বর্তমানে করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে নিজের পরিবারের সঙ্গেই সুইৎজারল্যান্ডে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। কিন্তু তার জীবনে এই প্রথম প্রায় তিন মাসেরও বেশি সময় মা-বাবাকে না দেখে থাকতে হচ্ছে। দীর্ঘ দিন মা-বাবাকে না দেখার দুঃখের কথা এক পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানালেন রজার ফেডেরার।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃশুধু অসাধারণ গোলকিপার নয়, অধিনায়কও ইকের ক্যাসিয়াস, ফিরে দেখা বর্ণময় কেরিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্ত

ছোট বেলায় বাবা রবার্ট ও মা লিনেটকের হাত ধরেই টেনিসে হাতেখড়ি হয়েছিল বর্তমানে ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ীর। ফেডেরার বাবার বর্তমান বয়স ৭৪ ও মার বয়স ৬৮। রবার্ট এখন রয়েছেন রজার ফেডেরার ফাউন্ডেশনের দায়িত্বে। সেখানে তিনি দুঃস্থ শিশুদের শিক্ষা এবং খেলাধুলোর প্রসারের বিষয়ের দেখভাল করেন। কিন্তু তার দীর্ঘ করেয়ারে কোনও দিন এক সপ্তাহের বেশি মা-বাবাকে না দেখে থেকেছেন এমনটা হয়নি। কিন্তু বিশ্ব মহামারীর জেরে তিন মাসের বেশি সময় মা-বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি ফেডেক্সের। না দেখার দুঃখ থাকলেও, তবে তারা পুরোপুরি সুস্থ থাকার খবরে স্বস্তিতে রয়েছে কিংবদন্তী টেনিস তারকা।

আরও পড়ুনঃআইপিএলের অপেক্ষায় ছটফট করছেন বিরাট, প্রহর গোনা শুরু আরসিবি অধিনায়কের

আরও পড়ুনঃএমএস ধোনি একজনই হয়, তারসঙ্গে কোনও তুলনাই হয়না, মন্তব্য হিটম্যানের

প্রত্রিকায় সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় রজা ফেডেরার জানিয়েছেন,'গত ২৫ বছরে এত বেশি দিন বাড়িতে সময় কাটাইনি। বলা যায়, পাহাড়ের মাথায় থাকি বলে আমরা অনেকটাই সুরক্ষিত রয়েছি এবং সেখানে কাউকে আমরা দেখতেও পাই না। করোনার কারণে তিন মাস বাবা-মা’র সঙ্গে দেখা হয়নি। তবে এই সময়ে আমরা সন্তানদের যতটা ভাল শিক্ষা দেওয়া যায়, তার চেষ্টা করছি। কিন্তু এই বিচিত্র সময় আরও একটা শিক্ষা দিয়ে গেল আমাদের। পরিবার, বন্ধুবান্ধব, সুস্থ দেহ এবং আনন্দ যে জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা আরও একবার উপলব্ধি করার সুযোগ দিল এই সময়।' কিন্তু কবে ফের মা-বাবাকে দেখতে পাব তা নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন পেডেক্স। পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে সবার আগে মা-বাবার সঙ্গে দেখা করবেন বলেও জানিয়েছেন ফেডেরার।