- Home
- West Bengal
- Kolkata
- Annapurna Bhandar Time: '১০ দিনের মধ্যে না হলে..' অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ডেডলাইন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
Annapurna Bhandar Time: '১০ দিনের মধ্যে না হলে..' অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ডেডলাইন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
Annapurna Bhandar Deadline: অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ১০ দিনের মধ্যে যোগ্য ও অযোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা চূড়ান্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরই নতুন তালিকা অনুযায়ী অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই নতুন করে যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা ভান্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা পৌঁছতে শুরু করবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে।

তার আগে প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তালিকা চূড়ান্ত করতে বড় নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যেই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের তালিকা থেকে যোগ্য ও অযোগ্যদের বাছাইয়ের কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে।
সরকারি সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক যাচাই প্রক্রিয়ায় বহু আবেদনকারীর নথিতে অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। কোথাও আয়ের তথ্য মিলছে না, কোথাও আবার একই পরিবারের একাধিক সদস্য আবেদন করেছেন। ফলে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের হাতে সরকারি অনুদান পৌঁছে দিতে প্রশাসন তালিকা পুনরায় খতিয়ে দেখছে।
মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে বিধায়কদের নির্দেশ দেন, প্রত্যেক এলাকায় দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া শেষ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে হবে। এই কাজের ক্ষেত্রে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। প্রশাসনের একাংশের মতে, এই সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার উদ্দেশ্য হল মাস শেষ হওয়ার আগেই যাচাই শেষ করে নতুন তালিকা অনুযায়ী টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করা।
জানা গিয়েছে, যাঁদের সমস্ত তথ্য ও নথি সঠিক রয়েছে এবং সরকারি নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করেছেন, তাঁদের অ্যাকাউন্টেই আগামী কিস্তির টাকা পাঠানো হবে। অন্যদিকে, যাঁদের তথ্য ভুল, অসম্পূর্ণ বা যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করে না, তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে। ফলে আবেদনকারীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল বেড়েছে।
প্রশাসনিক মহলের মতে, এই যাচাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকল্পে স্বচ্ছতা বাড়ানোই সরকারের মূল লক্ষ্য। একইসঙ্গে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের দ্রুত আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। বিধায়কদেরও এলাকাভিত্তিক নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও যোগ্য ব্যক্তি বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ সুবিধা না পান।
এদিকে, উপভোক্তাদের একাংশ ইতিমধ্যেই জানতে শুরু করেছেন তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে কি না। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, যাচাইয়ের কাজ শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে পরবর্তী আপডেট প্রকাশ করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
সব মিলিয়ে, অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের ক্ষেত্রে আগামী ১০ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। এই সময়ের মধ্যেই যোগ্য-অযোগ্যদের চূড়ান্ত বাছাই সম্পন্ন হলে নতুন তালিকা অনুযায়ী অর্থ বিতরণের পথ অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে। ফলে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের সরকারি ঘোষণার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিচ্ছে প্রশাসন।

