Janata Meal News: যেখানে মাত্র ১৫ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে সাত পিস গরম গরম কচুরি, আলু-সব্জি, আচার তবে এখানেই শেষ নয়। একই সঙ্গে এখানে বাজারের চেয়ে অনেক কম দামে মিলবে বিরিয়ানি, উত্তর তথা দক্ষিণ ভারতীয় নানারকম খাবার। জানুন আরও…                          

Janata Meal News: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর। ফের শিয়ালদহ স্টেশনে চালু হল 'জনতা মিল'। তাঁদের কথা চিন্তা করে শিয়ালদহ স্টেশনে আবার চালু হল এই 'জন আহার', যা জনতা মিল নামেই পরিচিত।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

যেখানে মাত্র ১৫ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে সাত পিস গরম গরম কচুরি, আলু-সব্জি, আচার। তবে এখানেই শেষ নয়, একই সঙ্গে এখানে বাজারের চেয়ে অনেক কম দামে মিলবে বিরিয়ানি, উত্তর তথা দক্ষিণ ভারতীয় নানারকম খাবার। এই 'জনতা মিল' চালু হওয়ার পর থেকেই স্টেশনে ভিড় উপচে পড়তে দেখা গিয়েছে (Janata Meal News)

জানা গিয়েছে, দেশের যে কোনও প্রান্তে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে সস্তার মাধ্যম হল এই ট্রেন। আর শিয়ালদহ স্টেশন থেকে লোকাল ও দূরপাল্লা মিলিয়ে প্রতিদিন প্রচুর ট্রেন ছাড়ে। যারফলে এই স্টেশনে সারাবছরই থাকে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ। উৎসবের মরশুমে এই যাত্রী সংখ্যা আরও বাড়ে। ফলে এই সমস্ত যাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই এবার ফের নতুন করে চালু করা হল এই জনতা মিল।

রেল সূত্রে খবর, আগে শিয়ালদহ এবং হাওড়া স্টেশনে রেলের তরফে এই জনতা মিল চালু করা হয়েছিল। শুরুর দিকে ভালো খাবার মিললেও পরে খাবারের গুণগত মান খারাপ হওয়ায় রেলযাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। তার ফলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এই 'জন আহার' বা 'জনতা মিল'।

এই বিষয়ে শিয়ালদহ ডিভিশনের সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার (ডিসিএম) যশরাম মিনা বলেন, ''এখন থেকে নিয়মিত খাবারের মানের দিকে নজর রাখা হবে।'' রেল সূত্রের খবর, প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ১৮ লক্ষ যাত্রী শিয়ালদহ স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আর্থিক দিক থেকে দুর্বল। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ। শিয়ালদহ স্টেশনের মেন সেকশন থেকে সাউথ সেকশনের দিকে যাওয়ার রাস্তায় তৈরি করা হয়েছে এই ক্যান্টিন।

এক রেলযাত্রীর কথায়, 'বাজারে হাল্কা টিফিন করতে গেলেও মোটামুটি ৩০ টাকা খরচ করতে হয়, সেখানে মাত্র ১৫ টাকায় ২৫ গ্রাম ওজনের সাতখানা কচুরি, ১৫০ গ্রাম সব্জি, সঙ্গে অল্প আচার, ভাবা যায় না!' জল খাবারের জন্য কচুরিকেই কেন বেছে নেওয়া হলো সে নিয়ে প্রশ্ন করলে, উত্তরে রেলের এক কর্তা বলেন ''বাঙালি, অবাঙালি সকলের কাছেই কচুরি একটি প্রিয় জলখাবার। তাই সবদিক বিবেচনা করে অল্প দামের মধ্যে মানুষকে পেটভর্তি খাবার দেওয়ার জন্য কচুরি, সব্জি নির্ধারিত করা হয়েছে।''

প্রসঙ্গত, অনেকেই আছেন যারা বার বিশেষে এক -এক দিন নিরামিষ খান। সেকথাও মাথায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আমিষ ও নিরামিষের জন্য আলাদা বাসন রাখার ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে রেলের তরফে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।