কুণাল ঘোষের সঙ্গে তাপস রায় ও শ্রীলেখা মিত্রকে একসঙ্গে দেখা যেতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। তিনজনের সাক্ষাৎ ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠছে, তৈরি হয়েছে কৌতূহলও। তবে এই সাক্ষাতের নেপথ্যে কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

একই দিনে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ফারাকেই কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণলা ঘোষকে দেখা গেল বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের দুই সেলিব্রিটির সঙ্গে। একজন রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা তাপস রায়। যিনি দীর্ঘদিনই কুণলার ঘোষের সহকর্মী ছিলেন। অন্যজন শ্রীলেখা মিত্র। রবিবার কুণলা ঘোষকে তাপস-শ্রীলেখার সঙ্গে দেখতে পাওয়ার পরেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

শ্রীলেখার সঙ্গে এক মঞ্চে কুণাল

রাজনৈতিক দিক থেকে সম্পূর্ণ বিরোধী মঞ্চে অবস্থান কুণাল আর শ্রীলেখার। কিন্তু রবিবার বাড়ির সামনেই শ্রীলেখার পশুপ্রেমী সংগঠনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুণাল। একই মঞ্চে দেখা যায় দুজনকে। অনুষ্ঠান মঞ্চেই কুণালকে কেক খাইয়ে দেন শ্রীলেখা। রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে পশুপ্রেম আর সৌজন্যকেই গুরুত্ব দেন দুই জন।

তাপস রায়ের সঙ্গে কুণাল ঘোষ

শ্রীলেখার অনুষ্ঠানের পরই তাপস রায়ের সঙ্গে দেখা যায় কুণাল ঘোষকে। তাপস রায়ের আবাসনে যান। সেখানে তাপস রায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ শ্যামল কর্মকারের শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে যোগ দেন কুণাল ঘোষ। এই অনুষ্ঠানে তাপস-কুণালকে কথা বলতেও দেখা যায়। শ্যামল কর্মকার দীর্ঘদিনের তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

যাইহোক একই দিনে শ্রীলেখা আর তাপসের সঙ্গে কুণালকে দেখা গিয়েছিল। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ তৃণমূল ভোটের পর থেকে ক্রমশই ভাঙছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কুণাল কালীঘা তৃণমূলেই রয়েছেন। যদিও ১৫ আগস্ট কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বাড়়ি সংলগ্ন তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরেও বাড়ি ফেরার সময় ঋতব্রতদের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। যা নিয়ে সেই সময়ও খুব আলোচনা হয়েছিল। যদিও এদিনের ঘটনার পর থেকে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি তিন-পক্ষ।