অবৈধ মাদক পাচারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে হাওড়া রেল স্টেশনে ২২.৬৪ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করল রেলওয়ে সুরক্ষা বল (আরপিএফ)। ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পূর্ব রেলের মহাব্যবস্থাপক শ্রীমতী গীতিকা পান্ডে এবং পূর্ব রেলের আইজি তথা প্রধান প্রধান নিরাপত্তা কমিশনার শ্রী অমিয় নন্দন সিনহার তত্ত্বাবধানে এই অভিযান চালানো হয়।

অবৈধ মাদক পাচারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে হাওড়া রেল স্টেশনে ২২.৬৪ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করল রেলওয়ে সুরক্ষা বল (আরপিএফ)। ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। পূর্ব রেলের মহাব্যবস্থাপক শ্রীমতী গীতিকা পান্ডে এবং পূর্ব রেলের আইজি তথা প্রধান প্রধান নিরাপত্তা কমিশনার শ্রী অমিয় নন্দন সিনহার তত্ত্বাবধানে এই অভিযান চালানো হয়।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশন চত্বর দিয়ে মাদক পাচারের নির্দিষ্ট খবর পেয়ে আরপিএফের ক্রাইম ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ (সিআইবি), হাওড়া এবং স্থানীয় আরপিএফ আধিকারিকদের যৌথ উদ্যোগে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। সেই সময় আরপিএফের স্নিফার ডগ ‘মার্কো’ ৮ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দিকে যাওয়া এক পুরুষ যাত্রীর সঙ্গে থাকা আকাসি রঙের একটি ট্রলি ব্যাগের দিকে সন্দেহজনকভাবে ইঙ্গিত করে। এর পর ৮ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ২ নম্বর পিলারের কাছে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আরপিএফ জানিয়েছে, আটক যুবকের নাম রবিয়াল। তাঁর বয়স ২২ বছর। তিনি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের বাসিন্দা এবং বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে থাকতেন।

উর্ধ্বতন আধিকারিক এবং স্বাধীন সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ট্রলি ব্যাগটি তল্লাশি করে ১১টি টেপ দিয়ে মোড়ানো প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্যাকেটগুলিতে থাকা মাদকদ্রব্যের মোট ওজন ২২.৬৪ কেজি। মাদকের পাশাপাশি যুবকের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রীও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আরপিএফ-র দাবি, মাদক বহন বা পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় কোনও বৈধ লাইসেন্স, পারমিট বা নথি দেখাতে পারেননি ওই যুবক। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য ওই যুবককে এবং বাজেয়াপ্ত সামগ্রী হাওড়া জিআরপি-র হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন (এনডিপিএস অ্যাক্ট), ১৯৮৫-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

অভিযান প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের প্রধান জনসংযোগ আধিকারিক (সিপিআরও) শিবরাম মাঝি বলেন, “রেল চত্বরে যে কোনও ধরনের অবৈধ কাজকর্মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখতে এবং যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে পূর্ব রেল সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”