Nepal Disaster: নেপালের ভয়াবহ হড়পা বান ও পার্বত্য বিপর্যয়ের পরোক্ষ প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গের পাঁচটি জেলাকে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে।
Nepal Flood Warning WB: নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানের জল এবং পার্বত্য বিপর্যয়ের পরোক্ষ প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যার জেরে উত্তরবঙ্গের ৫টি জেলাকে হাই অ্যালার্ট বা সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। নেপালের জল সরাসরি ভারতের বিহার ও উত্তর প্রদেশের গণ্ডক ও কোশী নদী হয়ে প্রবাহিত হলেও, তিব্বত ও নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন পার্বত্য অঞ্চলে মেঘভাঙা বৃষ্টি, তুষারধস এবং ভূমিকম্পের জেরে তৈরি হওয়া সামগ্রিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরভাগের জেলাগুলোতে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
উত্তরবঙ্গের ৫টি জেলা রয়েছে সতর্ক তালিকায় বন্যার ভয়াবহতা বৃদ্ধি পেলে বা পার্বত্য নদীর জলস্তর আচমকা বাড়লে বড় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। তাই রাজ্য প্রশাসনের তরফে মূলত উত্তরবঙ্গের এই জেলাগুলিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে:দার্জিলিংকালিম্পংজলপাইগুড়িকোচবিহারকার্শিয়াং (পাহাড়ি মহকুমা ও সংলগ্ন এলাকা)
আশঙ্কার তালিকায় কোন কোন এলাকা?
পার্বত্য ও নদী তীরবর্তী অঞ্চল: উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি নদীগুলির (যেমন তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা) জলস্তর আচমকা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নদীর অববাহিকা এবং নিচু এলাকাগুলি প্লাবিত হতে পারে।ধসপ্রবণ পাহাড়ি এলাকা: তিব্বত ও নেপাল সীমান্তে পাহাড়ি বিপর্যয়ের কারণে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও ধস (Landslide) নামার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আগাম প্রস্তুতি ও পদক্ষেপ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং যে কোনও জরুরি অবস্থা এড়াতে নবান্ন ও স্থানীয় প্রশাসন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে:রেস্কিউ ক্যাম্প: উপরিউক্ত জেলাগুলির বিভিন্ন প্রান্তে ইতিমধ্যে ১০ থেকে ১২টি উদ্ধারকার্য ও ত্রাণ শিবির (Rescue Camp) তৈরি করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল: প্রতিটি ক্যাম্পে উদ্ধার হওয়া মানুষ বা স্থানীয়দের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের বিশেষ দল মোতায়েন করা হয়েছে।বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী: রাজ্য পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF)-কে ২৪ ঘণ্টা হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে।


