TMC Conflict: তৃণমূলের সেই প্রতীক নিয়ে দ্বন্দ্বে আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজে হাতে আঁকা সেই জোড়াফুল সিম্বলটি আপাতত কারও হাতেই রইল না। বৃহস্পতিবার রাতে, নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিল, তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক আপাতত কোনও শিবিরই ব্যবহার করতে পারবে না।

TMC Conflict: উপনির্বাচনের আগে কিছুটা বিপাকে তৃণমূলের দুই শিবির। কারণ, কেউ পাচ্ছেনা জোড়াফুল প্রতীক! কালীঘাটপন্থী এবং ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলকে বেছে নিতে হচ্ছে নতুন সিম্বল। প্রসঙ্গত, রাজ্যে আসন্ন দুটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনের জন্য ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে তৃণমূলের দুই শিবিরের তরফেই (TMC Conflict)। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের হয়ে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছেন সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন রবিউল আলম চৌধুরী। অন্যদিকে, ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের হয়ে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছেন এহেতাশ মুল হক এবং রেজিনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন শেখ সফিউদ্দিন জামান। কিন্তু প্রশ্ন ছিল যে, কোন প্রতীকে লড়বেন তারা (TMC West Bengal bypoll)?

কেউ পাচ্ছেনা জোড়াফুল প্রতীক!

TMC Bypoll Bengal: উপনির্বাচনের দুটি আসনেই প্রার্থী দিল ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল! কিন্তু জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে এখনও রায় দেয়নি কমিশন

কিন্তু তৃণমূলের সেই প্রতীক নিয়ে দ্বন্দ্বে আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজে হাতে আঁকা সেই জোড়াফুল সিম্বলটি আপাতত কারও হাতেই রইল না। বৃহস্পতিবার রাতে, নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিল, তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক আপাতত কোনও শিবিরই ব্যবহার করতে পারবে না। বৃহস্পতিবার, কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত কোনও পক্ষকেই আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটিও আপাতত তারা ব্যবহার করতে পারবে না। অতএব, দুই শিবিরকেই নিজেদের জন্য আলাদা কোনও নাম বেছে নিতে হবে। তবে হ্যাঁ, চাইলে সেই নামের সঙ্গে অবশ্যই ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’-এর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা যাবে।

পাশাপাশি আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য দুই শিবিরকেই কমিশনের সংরক্ষিত প্রতীকের তালিকা থেকে আলাদা আলাদা প্রতীক বেছে নিতে হবে। এই প্রসঙ্গে ECI জানিয়েছে, তৃণমূলের প্রতীক বা দলীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এটি কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। একাধিক বিষয় বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ফের একবার তৃণমূলের দুই পক্ষকে তলব করা হয় শুক্রবার। দিল্লির নির্বাচন সদনে যান কালীঘাটপন্থী এবং ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। তারপরেই বৃহস্পতিবার রাতে, কমিশনের তরফে এই অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।