বাতাসে ধুলোবালি বেড়ে গেলে বাড়তে থাকে হাঁপানির সমস্যা। গরমে এই সমস্যা অনেক প্রবল হয়। বাতাসে থাকা ধুলোবালি নাকে লাগলে হাঁসির সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা প্রবল আকার নিলে তার থেকে শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারে। নিঃশ্বাসে কষ্ট, কাশি, বুকের মধ্যে সাঁই সাঁই শব্দ দেখা দেয় হাঁপানির বা অ্যাজমা হলে। এই সময় শরীরে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পৌঁছায় না। এর ফলে নিঃশ্বাসের কষ্ট সহ শারীরিক সমস্যা বাড়তে থাকে। সঙ্গে অনেকের বুকে কফ জমে। হাঁপানি দেখা দিলে অনেক সময় বমি ভাব ও জ্বর হয়। সমস্য়া থেকে মুক্তি পেতে মেনে চলতে পারেন ঘরোয়া টোটকা। বেশ কিছু উপকরণ আছে যা এই রোগ থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম হবে।
জেনে নিন কেন হয় হাঁপানি বা অ্যাজমার সমস্যা। বংশহত কারণে এই রোগ আক্রান্ত হতে পারেন। পরিবারে কোনও ব্যক্তির হাঁপানির রোগ থাকলে জিন গত সূত্রে তা অন্যজনের শরীরে প্রবেশ করে। এতে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। আবার হবু মা ধূমপান করতে তা গর্ভস্থ বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর। এই সময় মায়ের ধূমপানের স্বভাবের জন্য শিশুর হাঁপানি রোগ হতে পারে।
210
অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার জন্য হাঁপানির ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে যারা অত্যাধিক জাঙ্ক ফুড খান তালের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। শুধু অ্যাজমা নয়, যে কোনও রোগ শরীরে বাসা বাধতে পারেন জাঙ্ক ফুড খাওয়া জন্য। ডায়াবেটিস, প্রেসার, কোলেস্টেরলের সমস্যা দেখা দেয় জাঙ্ক ফুড খেলে তাই সুস্থ থাকতে চাইলে ত্যাগ করুন অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ।
310
রাসায়নিকের ধোঁয়া, ধুলো, গ্যাস ও ঋতু পরিবর্তনের জন্য অ্যাজমার অ্যাটাক হতে পারে। এই সময় যারা হাঁপানির রোগী তারা সতর্ক থাকুন। সাবধানে না থাকলে যে কোনও সময় এই রোগ আপনার শরীরে প্রকোপ বসাতে পারে। হাঁপানি থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে অনেকেই ইনহেলার ব্যবহার করে থাকেন। তাই আপনি হাঁপানি রোগী হলে সব সময় ইনহেলার সঙ্গে রাখুন।
410
ঘরোয়া উপায় হাঁপানির মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। পাতিলেবু খেতে পারেন হাঁপানি থেকে বাঁচতে। লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এক গ্লাস জলের মধ্যে লেবুর রস ও সামান্য চিনি দিয়ে রোজ খান। এতে হাঁপানির সমস্যা থেকে মু্ক্তি পাবেন।
510
মধু খেলে হাঁপানির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। রোজ রাতে ঘুমাবার আগে এক চামচ মধুর সঙ্গে দারুচিনি মিশিয়ে খান। এতে শ্বাস কষ্টের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। হাঁপানির জন্য অনেকের সর্দি-কাশি হয়। এই সমস্যা দেখা দিলে রোজ মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ খান। এতে উপকার পাবেন।
610
আদার গুণে মুক্তি পেতে পারেন হাঁপানির সমস্যা থেকে। প্রথমে জল গরম হতে দিন। তাতে ১ টুকরো আদা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এই জল পান করুন। এতে হাঁপানির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। আদাতে থাকা একাধিক উপকারী উপাদান হাঁপানির সমস্যা দূর করে। রোজ এই পানীয় খেতে পারেন। এই ঘরোয়া টোটকা বেশ উপকারী।
710
রোজ ১ কোয়া করে রসুন খান। অথবা এক কাপ দুধে ৩ থেকে ৪ কোটা রসুন ফেলে ফুটিয়ে খেতে পারেন। এতে হাঁপানির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। রসুন ফুসফুসের রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে। তাই যারা হাঁপানির রোগী, তারা রোজ এই টোটকা মেনে চলুন এতে উপকৃত হবেন।
810
কফি হাঁপানির সমস্যা সমাধানে বেশ উপকারী। গরম কফি শ্বাসনালীর প্রদাহ কমায়। এমনকী, কোনও রকম অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে তা দূর করে। তাই হাঁপানির রোগীরা নিয়মিত খেতে পারেন কফি। উপকার পাবেন।
910
পেঁয়াজ খেতে পারেন হাঁপানির সমস্যা থেকে বাঁচতে। এই সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা রোজ কাঁচা পেঁয়াজ খান। এতে থাকা একাধিক উপাদান শরীর সুস্থ রাখে। সঙ্গে হাঁপানির সমস্যা দূর করে। প্রদাহজনিত রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন পেঁয়াজ খেলে। এমনকী, শ্বাসকষ্টে সমস্যা দূর হবে এই টোটকায়। এরা থেকে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে চাইলে পেঁয়াজ খান।
1010
সঙ্গে নিয়মিত এক্সারসাইজ করুন। হাঁপানির রোগীদের সুস্থ থাকার জন্য এক্সারসাইজ করা সবার আগে প্রয়োজন। ঋতু পরিবর্তনের সময় এই সমস্যা আরও বাড়তে থাকে। বায়ুতে ধুলোবালি বেশি হলে বাড়ে হাঁপানির সমস্যা। তাই সুস্থ থাকতে রোজ মেনে চলুন এই বিশেষ টোটকা। ঘরোয়া এই সকল উপাদান আপনাকে রোগমুক্ত হতে সাহায্য করবে।
Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News