Medicine Price: ভারতে বেশিরভাগ পরিবারেই প্রতি মাসে চিকিৎসা, ওষুধের জন্য অনেক টাকা খরচ হয়। ফলে জীবনদায়ী ওষুধের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষকে তীব্র সমস্যায় পড়তে হয়।
Government-controlled medicines: কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা একাধিক জীবনদায়ী ওষুধের দাম বাড়ানো হচ্ছে। ক্যান্সার (Cancer), ডায়াবেটিস (Diabetes), হার্টের অসুখের চিকিৎসায় (Heart) প্রয়োজনীয় ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিকের (Antibiotics) দাম বাড়তে চলেছে। এই ধরনের ওষুধগুলির দাম ১.৭ শতাংশ বাড়তে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এমনই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অফ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টসের সাধারণ সম্পাদক রাজীব সিংঘল জানিয়েছেন, ওষুধের কাঁচামালের দাম বেড়েছে। এছাড়া অন্যান্য খরচও বেড়েছে। এই কারণে ওষুধের দাম বাড়লে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সুবিধা হবে। রাজীবের কথা অনুযায়ী, ‘ব্যবসার নিরিখে বলতে পারি, আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে বাজারে নতুন দামের ওষুধ আসতে চলেছে। কারণ, বাজারে কোনও ওষুধ ছাড়ার পর সেই ওষুধগুলি সব বিক্রি হতে গড়ে ৯০ দিন লাগে। এই সময়টা দিতেই হবে।’
কেন ওষুধের দাম বাড়ছে?
ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হার্টির রোগের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বাড়ার খবরে দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ, এর ফলে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হতে চলেছে। ওষুধের জন্য খরচ বেড়ে যাবে। সার ও রাসায়নিক বিষয়ক সংসদের স্থায়ী কমিটির সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ওষুধ সংস্থাগুলি বেআইনিভাবে দাম বাড়িয়ে চলেছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দাম নিচ্ছে ওষুধ সংস্থাগুলি। সারা দেশে ওষুধের দাম ঠিক করে ন্যাশনাল ফার্মাকিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি। এই সংস্থা জানতে পেরেছে, ৩০৭টি ক্ষেত্রে ওষুধ সংস্থাগুলি বেআইনিভাবে বেশি দাম নিচ্ছে। ২০১৩ সালে ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে, তার ভিত্তিতেই দাম ঠিক করতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সব ওষুধ সংস্থাকেই সরকার নির্ধারিত দামের মধ্যে ওষুধের দাম রাখতে হবে। তার চেয়ে বেশি দাম নেওয়া যাবে না।
সাধারণ মানুষের স্বার্থে ওষুধের দাম কমানো হবে?
ওষুধের দাম কমানো কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে। এই কারণে অনেকেই মনে করছেন, সাধারণ মানুষের কথা ভেবে জীবনদায়ী ওষুধের দাম না বাড়িয়ে কমানো উচিত সরকারের।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।