মেলে না পানীয় জলও, চিন সীমান্তের কাছে পরিষ্কার জলের পুকুর তৈরি করছে ভারতীয় সেনা

Published : Nov 17, 2022, 04:35 PM IST
Army ponds

সংক্ষিপ্ত

ভারত সেখানে ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। দেশ রক্ষায় নতুন ও আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত করা হয়েছে এই সেনাদের। জানিয়ে রাখি, ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাস থেকে সীমান্তে চীনের সঙ্গে উত্তেজনা চলছে।

চিনকে রুখতে ভারত তার সেনা মোতায়েন করেছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে। শীতকালে ওই এলাকায কার্যত বরফে মোড়া থাকে। আকাল দেখা যায় পানীয় জলের। তাই এবার সেই জলের সমস্যা দূর করতে নয়া উদ্যোগ ভারতীয় সেনার। সীমান্তে প্রহরায় থাকা সেনাদের জন্য যাতে সহজেই পানীয় জলের যোগান দেওয়া যায়, তার জন্য বেশ কয়েকটি পুকুর নির্মাণ করছে ভারতীয় সেনা।

চিন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ৫০ হাজারের বেশি ভারতীয় সেনা মোতায়েন

ভারত সেখানে ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। দেশ রক্ষায় নতুন ও আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত করা হয়েছে এই সেনাদের। জানিয়ে রাখি, ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাস থেকে সীমান্তে চীনের সঙ্গে উত্তেজনা চলছে। চীন সীমান্তে মোতায়েন সেনাবাহিনীর জন্য সুবিধা প্রদানের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরপাল সিং বলেছেন, 'আমরা সেনাবাহিনীর জন্য সীমান্তে পর্যাপ্ত জল সংস্থান সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এ বছর প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যেও পুকুর থেকে বিশুদ্ধ জল তুলতে পারবে সেনাবাহিনী।

অনেক এলাকায় তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রির নিচে 

সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় শীতকালে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায়। এই সময়ে, সৈন্যদের বিশুদ্ধ জল এবং খাবার সরবরাহ করা একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। কর্পস অফ ইঞ্জিনিয়ার্স চিন সীমান্তের কাছে অগ্রসর অবস্থানে সেনাদের সহায়তা করতে এবং সেখানে জীবনযাত্রার অবস্থার উন্নতির জন্য ব্যাপক কাজ করেছে।

২২ হাজার অতিরিক্ত ঘাঁটি নির্মাণ

পূর্ব লাদাখে, সেনাবাহিনী এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর জন্য ২২ হাজার অতিরিক্ত ঘাঁটি তৈরি করেছে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল এগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে একে সহজেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারপাল এ তথ্য জানিয়েছেন।

এদিকে, ২০২০ সালের জুনে গালওয়ান উপত্যকায় চিনা সেনাদের সাথে হিংসাত্মক সংঘর্ষের পর থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনী সীমান্তে তার সামরিক শক্তি ক্রমাগত বাড়িয়ে চলেছে। সেনাবাহিনী অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পার্বত্য এলাকায় নতুন এম-৭৭৭ আল্ট্রা-লাইট হাউইটজার (IM) বন্দুক মোতায়েন করেছে। এই ১৫৫ মিমি কামানগুলি এমন জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে, যেখান থেকে পাকিস্তান এবং চীন উভয়েই আক্রমণ করা যেতে পারে।

প্রকৃতপক্ষে, উত্তর সীমান্তের পুরো এলাকাটি উঁচু পাহাড়ে ঘেরা। এখানে অস্ত্র পাওয়া চ্যালেঞ্জের চেয়ে কম কিছু নয়। সেনাবাহিনী এখানে বড় ট্যাংক বা আর্টিলারি সরবরাহ করতে পারে না। সে কারণে অনেক দিন ধরেই হাল্কা অস্ত্র নিয়ে কাজ করছে সেনাবাহিনী। চিনুক হেলিকপ্টার দ্বারা M-777 হাউইটজার সরবরাহ করা হয়েছে। যেকোনো যানবাহন থেকে টেনে নিয়েও এসব বন্দুক পরিবহন করা যায়। এই বন্দুকগুলিকে CH-47 হেলিকপ্টার এবং ট্রাকের মাধ্যমে সহজেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়।

আরও পড়ুন

পাক-চিন সীমান্তে M777 হাউৎজার মোতায়েন ভারতের, এই অস্ত্রকে রীতিমত সমঝে চলে শত্রুরা

সাভারকার নিয়ে নিজের মন্তব্যে অটুট রাহুল গান্ধী, চিঠি নিয়ে বসলেন সাংবাদি বৈঠকে- দেখুন সেই ভিডিও

PREV
click me!

Recommended Stories

News Round Up: বিধানসভা ভোট নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ থেকে শুরু করে বিপাকে পিএসএল, সারাদিনের সব খবর এক ক্লিকে
Rahul Gandhi: ট্রাম্পের ১০০% নিয়ন্ত্রণে মোদী, গুজরাট থেকে তোপ রাহুলের