সাধারণ বাজারে যে ধূপকাঠি কিনতে পাওয়া যায় তা ব্যবহার করেন তাহলে ঘরের জানলা খুলে রাখুন। ঘরে সুগন্ধ থাকবে।
ধূপকাঠি পুড়ান হয় পুজোতে। এটি একদিকে যেমন আচার বা প্রথা অন্যদিকে ধুপকাঠো পোড়ানোর স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। তবে জৈব ধূপকাঠি কিন্তু বেশি উপকারী। সাধারণ ধূপকাঠিতে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। সেগুলি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ধূপকাঠিতে জেনোটক্সিন রাসায়নিক রয়েছে যা ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। তাই বাড়িতে বা ঘরের মধ্যে জৈব ধূপকাঠি ব্যবহার করতে পারে। তাতে শরীর ও মন দুটি ভাল থাকবে। আর যদি সাধারণ বাজারে যে ধূপকাঠি কিনতে পাওয়া যায় তা ব্যবহার করেন তাহলে ঘরের জানলা খুলে রাখুন। ঘরে সুগন্ধ থাকবে। কিন্তু শরীরের ক্ষতি তেমন হবে না। ঘরের জানলা দরজা বন্ধ করে কখনই ধূপকাঠি জ্বালবেন না।
ধূপকাঠির ১০টি উপকারিতা
১. উদ্বেগ কমায়
প্রাচীনকাল থেকেই ভারতে ধূপের ব্যবহার হয়। অ্যারোমাথেরাপির জনপ্রিয় রূপ। ধূপের সুগন্ধী যে কোনও মানুষের মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে পারে।
২. ঘুম হয়
ল্যাভেন্ডার ধূপকাঠি আপনার ঘুমের উন্নতি ঘটাতে পারে। ঘুমাতে যাওয়ার ঘণ্টাখাকেন আগে শোয়ার ঘরে ধূপকাঠি জ্বালুন। তারপর শুতে যাওয়ার আগে জানলা খুলে ধোয়া বার করে দিন। দেখবেন সুন্দর একটি পরিবেশ তৈরি হবে।
৩. স্মৃতি শক্তির উন্নতি
বিশেষজ্ঞদের কথায় গোলাপফুলের গন্ধযুক্ত ধূপকাঠি স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটাতে পারে।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
ইউক্যালিপটাস ও চা গাছের গন্ধযুক্ত ধুপের কাঠি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে বলে আর্যুবেদ চিকিৎসকদের দাবি।
৫. প্রদাহ কমায়
লোবান গন্ধযুক্ত ধূপকাঠি প্রদাহ কমাতে পারে। অস্টিওআর্থারাইটিসের রোগীরা এই ধূপকাঠিতে উপকার পাবেন।
৬. মাথাধরা থেকে মুক্তি
ইউক্যালিপটাস ও ল্যাভেন্ডার গন্ধযুক্ত ধূপকাঠি মাথার ব্যাথা কমাতে পারে।
৭. হজমের উন্নতি
দারুচিনির গন্ধযুক্ত ধূপকাঠি হজমের উন্নতি করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের দাবি
৮. মেজাজ ভালো রাখে
যে কোনও ধূপের সুগন্ধ মন ও মেজাজ ভাল রাখে। মানসিক শান্তি পাওয়া যায়।
৯. সৃজনশীলতা বাড়ায়
ধূপের গন্ধ যে কোনও সৃজনশীল কাজের জন্য প্রয়োজনীয়। কারণ মন ভাল রাখতে পারে। তাই আঁকা হোক পা পড়া বা নাচ- শুরু করার আগে একটি ধূপকাঠি জ্বালাতেই পরেন।
১০. জীবাণু ক্ষয়
বেশ কিছু ধূপ রয়েছে যেগুলি বাতাসে থাকা জীবাণু মেরে ফেলতে পারে। ধূনোর গন্ধ বা ইউক্যালিপটাসের গন্ধযুক্ত ধূপকাঠি পরিবেশ ভাল রাখতে পারে।