অধিনায়কের পাশে সর্বাধিনায়িকা লেখা মমতার পোস্টার, তৃণমূলের নতুন সমীকরণ নিয়ে আলোচনা

সংক্ষিপ্ত

Speculations about Mamata-Abhishek relationship:মমতা বন্দ্যোপাধ্যা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমীকরণ নিয়ে আলোচনা চলছিল দীর্ঘ দিন ধরেই। তাতেই জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে পোস্টার। তৃণমূলের সমর্থক গোষ্ঠীর নতুন পোস্টার কী আলোচনা বন্ধ করতে পারবে।

 

Speculations about Mamata-Abhishek relationship: তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক গোষ্ঠীর একটি পোস্টার ঘিরে ঘরে বাইরে জল্পনা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো অভিযোক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সম্পর্ক ও দলের অন্দরে তাঁদের দুইজনের সমীকরণ নিয়ে। শুক্রবার রাতেই শহরের একাধিক জায়গা হলুদ পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছিল। সেখানে ছিল বড় করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মুখ। আর লেখা ছিল অধিনায়ক অভিষেক। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও পতাকা বা প্রতীক ছিল না। ঘরে বাইরে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় আর অভিষেককে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে তখনই রাতারাতি শহরে আরও একটি পোস্টার পড়ল অভিষেকের ঠিক পাশে। সেখানে মমতার ছবি। আর পোস্টারে লেখা সর্বাধিনায়িকা জয় হে। নাম নেই। দুটি পোস্টারই তৃণমূলের সমর্থক গোষ্ঠী ফেম-এর তরফ থেকে দেওয়া হয়েছে বলে পোস্টারে জানান হয়েছে।

তৃণমূলের অন্দরে কানাঘুষো দলের সর্বোচ্চ স্তরের সমীকরণ, দূরত্ব, নৈকট্য নিয়ে আলোচনা শুরু করে দিয়েছিল দলেরই একটি সমর্থক গোষ্ঠীর দেওয়া হোডিং বা পোস্টার। যদিও রাতারাতি অভিষেকের পোস্টারের পাশেই দেওয়া হয় মমতার পোস্টার। যা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের প্রবীণ নেতাদের কথায় আগে কেন সর্বাধিনায়িকা লেখা ও মমতার ছবি দেওয়া পোস্টার দেওয়া হয়নি? আগে মমতার পোস্টার দেওয়া উচিৎ ছিল বলেও জানিয়েছেন এক নেতা। কিন্তু হয়েছে ঠিক উল্টোটাই।

Latest Videos

একটি সংবাদ মাধ্যমে ফ্যাম -এর সংগঠক সৌরভ দাস বলেছেন, 'তৃণমূল তো বটেই আমরাই সমাজমাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে সবচেয়ে বড় সমর্থক কমিউনিটি। আমরা দাদা আর দিদিকে পৃথক করে দেখি না। ফলে এই নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই।' তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁদের সংগঠনের কেউ সর্বক্ষণের কর্মী নয়, প্রত্যেকেরই নিজের নিজের কর্মস্থল রয়েছে। নিজের কাজ সামলেই তাঁরা সংগঠন করেন। তিনি আরও বলেছেন, তাঁরা প্রথমে হলুদ পোস্টার লাগিয়েছেন। এবার মমতার পোস্টার লাগালেন। এতে সমস্যার কিছু নেই।

যদিও তৃণমূলের অন্দরে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, নেতাজি ইন্ডোরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি দেওয়া কোর কমিটির মানেননি অভিষেক। তাই কোর কমিটি তৈরি করেও তা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। শনিবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে অভিষেক দলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় অভিষেককে জায়গা ছাড়ছেন। তারপরই সক্রিয় হয়েছেন অভিষেক। কিন্তু শুধুমাত্র অভিষেক লেখা পোস্টার বা হোডিং যে এখনও তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা ও কর্মীরা মেনে নিতে পারছেন তা এই ঘটনার পরও স্পষ্ট হয়েছে। তাই নতুন করে মমতার পোস্টার আর ছবি দেওয়া হয়েছে বলেও তৃণমূলের একাংশের মন্তব্য।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

 

Read more Articles on
Share this article
click me!

Latest Videos

'২৬ হাজার চাকরি বাতিলে দায়ী মমতার সরকার', দেখুন কী বলছেন সুকান্ত-সুজন-সৌম্য
কেন যোগ্য অযোগ্য বাছাই করেন নি? এসএসসি ভবনে প্রশ্ন করেছিলেন শুভেন্দু, ভাইরাল সেই ভিডিও